করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ

আশুলিয়া ধামসোনা ইউনিয়নের ছাত্রলীগের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে জনসচেতনা সৃষ্টির লক্ষে হ্যান্ড গ্লাভস, মাস্ক বিতরণ সহ জীবানু নাশক ঔষধ ছিটানো হয়েছে।

বুধবার সকালে ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক তানভীর হোসেনের নেতৃত্বে ধামসোনা ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া থানার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তানভীর আহমেদ ও ধামসোনা ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতা রাইসুল ইসলাম রকি, সজীব, মহর,সবুজ, বাবুল, সুমন ও সম্রাট সহ আরো অনেকেই।

তানভীর হোসেন বলেন, ‘করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক না হয়ে ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধির দিকেই আমাদের জোর দিতে হবে।’
এছাড়া তানভীর আহমেদ সাধারন জনগনকে কোয়ারেন্টিন  সম্পর্কে সঠিক ধারনা দেন.

যেমন :

হোম কোয়ারেন্টিন কী?
হোম কোয়ারেন্টিন মানে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি নিজ বাড়িতে স্বেচ্ছায় একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে থাকবেন এবং এ সময় নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।

কোয়ারেন্টিনের নীতিমালা
টাইফয়েড মেরির ২৭ বছরের কোয়ারেন্টিনের ঘটনা মানবাধিকারে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে রয়েছে। কোয়ারেন্টিনে থাকাকালে ব্যক্তির কিছু অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। ১৯৮৪ সালের জাতিসংঘ স্বীকৃত সিরাকুসা নীতিমালা অনুসারে কোয়ারেন্টিনের বাধ্যবাধকতাগুলো হলো:

১. যারা থাকবে, তাদের মৌলিক প্রয়োজন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান চিকিৎসা, রোগ প্রতিরোধের সব ব্যবস্থা করতে হবে।
২. প্রিয়জন ও পরিচর্যাকারীর সঙ্গে যোগাযোগের পর্যাপ্ত সুযোগ থাকতে হবে।
৩. কর্মস্থল, চাকরি, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ক্ষতির দিকে খেয়াল রাখতে হবে, ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৪. সামাজিক মর্যাদা যা–ই হোক, যোগাযোগ, চলাফেরার সীমাবদ্ধতা সবার জন্য সমান হতে হবে।
৫. কোয়ারেন্টিন সমাজ ও জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় বলে প্রতীয়মান হতে হবে।
৬. একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে (যেমন রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ) এটা করতে হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে কারা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন?
যেসব দেশে কোভিড-১৯–এর স্থানীয় সংক্রমণ ঘটেছে, সেসব দেশ থেকে যেসব যাত্রী এসেছেন এবং আসবেন (দেশি-বিদেশি যেকোনো নাগরিক), যাঁরা দেশে শনাক্তকৃত ৩ জন কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন এবং যার অথবা যাঁদের কোনো শারীরিক উপসর্গ নেই, তাঁদের ১৪ দিন স্বেচ্ছা/গৃহ কোয়ারেন্টিন পালন করতে হবে।

করোনাভাইরাসের জন্য কীভাবে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন?
হোম কোয়ারেন্টিন মানে শুধু বাড়িতে থাকা নয়। তার জন্য নির্দিষ্ট কিছু বিধিনিষেধও পালন করতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন আছে।

১. বাড়ির অন্য সদস্যদের থেকে আলাদা থাকুন।
২. আলো–বাতাসের সুব্যবস্থাসম্পন্ন আলাদা ঘরে থাকুন। সম্ভব না হলে অন্যদের থেকে অন্তত ১ মিটার (৩ ফুট) দূরে থাকুন। রাতে পৃথক বিছানা ব্যবহার করুন।
৩. আলাদা গোসলখানা ও টয়লেট ব্যবহার করুন। সম্ভব না হলে অন্যদের সঙ্গে ব্যবহার করতে হয়—এমন স্থানের সংখ্যা কমান এবং ওই স্থানগুলোতে জানালা খুলে রেখে পর্যাপ্ত আলো–বাতাসের ব্যবস্থা করুন।
৪. স্তন্যদায়ী মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন। তবে শিশুর কাছে যাওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করুন এবং ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন।
৫. বাড়ির অন্য সদস্যদের সঙ্গে একই ঘরে অবস্থান করলে, বিশেষ করে ১ মিটারের মধ্যে আসার প্রয়োজন হলে, অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করুন।
৬. কাশি, সর্দি, বমি ইত্যাদির সংস্পর্শে এলে সঙ্গে সঙ্গে মাস্ক খুলে ফেলুন এবং নতুন মাস্ক ব্যবহার করুন। মাস্ক ব্যবহারের পর ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলুন এবং সাবান–পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন।
৭. সাবান ও পানি দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। প্রয়োজনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
৮. সাবান-পানি ব্যবহারের পর টিস্যু দিয়ে হাত শুকনো করে ফেলুন। টিস্যু না থাকলে শুধু হাত মোছার জন্য নির্দিষ্ট তোয়ালে/গামছা ব্যবহার করুন এবং ভিজে গেলে বদলে ফেলুন।
৯. অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করবেন না।
১০. কাশি শিষ্টাচার মেনে চলুন। হাঁচি–কাশির সময় টিস্যু পেপার/মেডিকেল মাস্ক/কাপড়ের মাস্ক/বাহুর ভাঁজে মুখ ও নাক ঢেকে রাখুন এবং ওপরের নিয়মানুযায়ী হাত পরিষ্কার করুন।
১১. ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী অন্য কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করবেন না। আপনার খাওয়ার বাসনপত্র—থালা, গ্লাস, কাপ ইত্যাদি, তোয়ালে, বিছানার চাদর অন্য কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করবেন না। এসব জিনিসপত্র ব্যবহারের পর সাবান-পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে ফেলুন।

কখন আপনার কোয়ারেন্টিন শেষ হবে?
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার কোয়ারেন্টিন শেষ হবে। একজন থেকে অন্যজনের কোয়ারেন্টিনের সময়সীমা আলাদা হতে পারে। তবে সাধারণত এ সময়সীমা ১৪ দিন।

 

 

 

 

টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের মাঠে কোন খেলা নেই

টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের মাঠ খাঁ খাঁ করছে। খেলার জন্য মাঠ আছে, অথচ মাঠে কোন খেলা নেই, গ্যালারিতে নেই ভরা দর্শক। মাঠের...

Read more

সর্বশেষ

ADVERTISEMENT

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত


সম্পাদক ও প্রকাশক : মাে:শফিকুল ইসলাম
সহ-সম্পাদক : এডভােকেট-মোঃ আবু জাফর সিকদার
প্রধান প্রতিবেদক: মোঃ জাকির সিকদার

কার্যালয় : হোল্ডিং নং ২৮৪, ভাদাইল, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা-১৩৪৯

যোগাযোগ: +৮৮০ ১৯১ ১৬৩ ০৮১০
ই-মেইল : dailyamaderkhobor2018@gmail.com

দৈনিক আমাদের খবর বাংলাদেশের একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে দৈনিক আমাদের খবর, অনলাইন নিউজ পোর্টালটি সব ধরনের খবর প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রচারিত অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলির মধ্যে এটি একটি।

ADVERTISEMENT
x