আব্দুস সালাম শাহীন শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি
এ বিষয়ে ভবানীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সীমাবাড়ি-রানিরহাট সড়কের ভবানীপুরের পার্শ্ববর্তী এলাকা ফকিরতলায় রনক স্পিনিং মিলের শ্রমিক রাহেনা আক্তার নামের ১৯ বছর বয়সী এক মেয়ের শরীরে করোনা পজিটিভ এসেছে। কুড়িগ্রাম অঞ্চলে তার বাড়ি,এছাড়াও তিনি ফ্যামিলি নিয়ে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ করেছেন।
সূত্র অনুযায়ী জানা যায়, করোনার কারনে কারখানা ছুটি ঘোষণা হলে রাহেনা আক্তার কুড়িগ্রাম নিজ বাড়িতে চলে যান,দীর্ঘদিন থাকার পরে হঠাৎ জ্বর ও শর্দি দেখা দিলে তিনি স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ তার নমুনা নমুনা সংগ্রহ করেন। সেখানে নেগেটিভ ফলাফল আসলে কোম্পানির নির্দেশ অনুযায়ী তিনি কর্মস্থলে যোগদান করতে তার মাকে নিয়ে কোম্পানির আবাসিক কোয়াটারে চলে আসেন।
এদিকে গত শনিবার (২রা এপ্রিল) রাতে কুড়িগ্রাম থেকে স্থানীয় প্রশাসন শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে জানান,ভবানীপুরের পার্শ্ববর্তী ফকিরতলা এলাকার রনক স্পিনিং মিলের শ্রমিক রাহেনা আক্তারের শরীরে করোনা ভাইরাস বা কভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে তাকে ওই করখানায় রাখা যাবেনা মর্মে, এই খবরে শেরপুর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় শনিবার রাতের আধারে রাহেনা ও তার মাকে কোম্পানির নিজস্ব মাইক্রোতে ফুল প্রটেক্টিভ এর মাধ্যমে তাকে কুড়িগ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রনক স্পিনিং মিলে কর্মরত শ্রমিক জানান,রাহেনা আক্তার আক্রান্ত অবস্থায় আমাদের মাঝে এসেছে এবং কম্পানির অনেক মানুষের সংস্পর্শে এসেছে সে কিন্তু এ বিষয় এ আমরা কেউ অবগত ছিলাম না। এখন আমাদের সকলের মাঝে আতংক বিরাজ করছে পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছি। আমরা আগামীকাল সোমবার এর মধ্যে কম্পানিকে লকডাউন ঘোষণা চাচ্ছি।
উল্লেখ্য করোনা ভাইরাস যখন পুরো দেশে মহামারী আকার ধারন করেছিলো তখনো খোলা ছিলো রনক স্পিনিং মিল,শ্রমিক দের আন্দোলন এর কারনে বন্ধ করা হয়েছিলো এই মিল।
এ নিয়ে পুরো ভবানীপুর বাসী আতংকের মাঝে রয়েছে তারা অতি দ্রুত প্রশাসন এর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন