আজ তরুণ সমাজই বিপর্যয়ের কারণের দারপ্রান্তে

আজ তরুণ সমাজই বিপর্যয়ের কারণের দারপ্রান্তে

শাহ্ নেওয়াজ সুমন:

লকডাউন শিথিল হওয়ার পর থেকেই যেন ঘরে বন্দী থাকা তরুন সমাজ চলমান করোনা মহামারীকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বলছে ‘আঁরা চিটাঙ্গে ফুয়া,মেডিত ফইল্লে লুয়া’। এই কথার বাস্তব উদাহরণ বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের ২ নং গেইট এলাকার বিপ্লব উদ্যান বা এম.এ.আজিজ আউটার স্টেডিয়ামের মুক্ত মঞ্চ অথবা সিআরবি এলাকা যেখানে সন্ধ্যা হলেই বাড়তে থাকে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে জমজমাট আড্ডার আসর রাত ১১টা বা কখনো ১২ টা অবধি।

শীতের আগমনে দামী জ্যাকেট, ব্লেজার কিংবা স্নিকারস,মাথায় দামী শীতটুপি ইত্যাদি বস্ত্রকে ফ্যাশন হিসেবে গ্রহণ করে নিলেও বেশিরভাগেরই মুখে নেই মাস্ক এমনকি ন্যূনতম সচেতনতাটুকু। এদিকে কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় পর্ব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তের হার ১৮ থেকে ৩৫ বছরের তরুণ বা যুবকদের সবচেয়ে বেশি।

করোনার বিস্তার রোধে যেখানে সরকার কঠোর থেকে কঠোরতম পদক্ষেপ নিচ্ছে,মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করেছে অনেক আগেই, পুরো দেশে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন ও সর্বোচ্চ জরিমানামূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সেখানে কিভাবে এসব জায়গা জেলা প্রশাসন ও উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নজর এড়িয়ে যাচ্ছে সেটাই প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।

প্রশাসনের উচিত করোনা মহামারীর ২য় পর্ব মোকাবিলায় এসব স্থানে প্রতিনিয়ত কঠোর অভিযান ও জরিমানা মূলক শাস্তির মাধ্যমে সচেতনতা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাতে করে মহামারীর ভয়াভহ বিপর্যয়ের কারণ হয়ে না দাঁড়ায় আজকের তরুণ সমাজ যাদের উপর নির্ভর করছে দেশ ও জাতির কল্যাণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *