আজ ১৯ নভেম্বর আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

আজ ১৯ নভেম্বর আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। উক্ত দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ মেন’স রাইটস ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব ফাতেমা মনির, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ, জনাব এডভোকেট নূরজাহান বেগম, পিপি, নারায়ণগঞ্জ জজকোর্ট। আরও বক্তব্য রাখেন জাহানারা বেগম, শ্রমিকলীগ নেত্রী, মোঃ রাসেদুজ্জামান, মহাসচিব, বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, মহিউদ্দিন আলিফ খান, যুগ্ম আহ্বায়ক, মোঃ মোশারফ হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ঢাকা মহানগর, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ মাজেদ ইবনে আজাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক। উক্ত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আব্দুল মজিদ। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অত্র সংগঠনের চেয়ারম্যান শেখ খায়রুল আলম।

অবশেষে সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, আজ ১৯ নভেম্বর আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। ১৯৬৮ সালে আমেরিকান সাংবাদিক জন.পি. হ্যারিস পুরুষ দিবস পালনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি নারী দিবস পালনের পাশাপাশি জেন্ডার সমতা রক্ষার স্বার্থে পুরুষ দিবস পালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এখন এই দিবসটি বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে পালন করা হয়। আজকের এই পুরুষ দিবসে বাংলাদেশ মেন’স রাইটস ফাউন্ডেশন পুরুষ নির্যাতন দমন আইন পাশের দাবী জানাচ্ছে। আজ ঘরে বাহিরে সব জায়গায় পুরুষরা নির্যাতিত হচ্ছে। কিন্তু আত্মসম্মানের জন্য প্রকাশ করতে পারছে না। আবার আইন না থাকায় আইনের আশ্রয় নিতে পারছেনা। নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলাকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছে কিছু দুশ্চরিত্র নারীরা। পরকীয়া ও অবাধ্য স্ত্রীকে শাসন করতে গেলে স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলা দিচ্ছে। আমার কাছে একজন সাংবাদিক ভাই দুঃখ প্রকাশ করে বললেন, আমরা সবসময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করি এবং নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াই। অথচ আজ আমি নিজেই নির্যাতিত। এই নির্যাতনের কথা কাউকে বলতে পারছি না। আমি আমার স্ত্রী এবং দুই সন্তান একই শহরে থাকছি। অথচ দুই বৎসর ধরে আমাকে সন্তানদের সাথে দেখা করতে দিচ্ছে না। স্ত্রীর সাথে ডিভোর্স হওয়ার পর সন্তানের খোরপোষ পিতাকে বহন করতে হয়। অথচ পিতার সাথে সন্তানকে দেখা করতে দেওয়া হয় না। সমাজে অহরহ এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। এর প্রতিকার কী? বাংলাদেশ মেন’স রাইটস ফাউন্ডেশন সবসময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করছে। বাংলাদেশ পুরুষ অধিকার ফাউন্ডেশন সব সময় নির্যাতিত অবহেলিত পুরুষ ভাইদের সাথে ছিলো, আছে, থাকবে এবং সবসময় নির্যাতিত ভাইদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *