আশুলিয়ায় আওয়ামী লীগের নেতার নামে মিধ্যা সংবাদ প্রচারে জন মনে নিন্দা ও ক্ষোভ

জসিম উদ্দিনঃ

 

আশুলিয়া থানা ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিপ্লবী নেতা জনপ্রিয় সাধারন সম্পাদক হাজী মতিউর রহমান মতিনের বিরুদ্ধে কয়েকটি অনলাইনে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় জনমনে নিন্দার ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আশুলিয়া থানার এলাকায় আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী রাজপথের সাহসী সৈনিক পরিক্ষীত নেতা ৪০ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক হিসাবে দ্বায়িত্বরত এক সময়ে যুবলীগ ও পরে আওয়ামী লীগ করে আজ যিনি এলাকায় সিনিয়র নেতা হিসাবে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে অবস্থান করছে। তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রি মহল মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে নানা বিভান্তি ছড়াচ্ছে। এনিয়ে এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মিদের মাঝে নিন্দা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে । জানাযায়, পবনারটেক এলাকার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পরিক্ষিত সৈনিক দুঃসময়ের রাজ পথের যাকে পাওয়া যায় দলের জন্য হাজী মতিউর রহমান মতিন এক নিবেদিত প্রাণ। তিনি ছাত্রজীবনে বঙ্গবন্ধুর আর্দশে অনুপ্রাণীত হয়ে এলাকায় ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্যে দিয়ে রাজপথে রাজনীতির যাত্রা শুরু করেন।তিনি ১৯৮১ সালে সাভার কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করেন।১৯৮৫ সালে ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।১৯৯০/৯১ গণ আন্দোলণে রাজপথে ব্যাপক ভুমিকা

রাখেন।তৎকালীন বিরোধিদল হিসাবে বিএনপি জামাত জোটের রোষানলে পরে বহু নির্যাতন জেল জুলুমের শিকার হন।১৯৯৮ সালে সাভার উপজেলা যুবলীগের সহ- সভাপতি নির্বাচিত হন।এর পর ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নির্বাচিত হয়ে সুনামের সাথে ৫ বছর দ্বায়িত্ব পালন করেন। এসময় এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন
কাজ করার কারনে জনপ্রিয়তা সৃষ্টি হয়। তিনি পবনার টেক সরকারী স্কুল ও মসজিদ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।২০০৩ সাল থেকে ২০১৪ সাল ও ১৪ সাল থেকে অদ্যবধি সফলতার সাথে পর পর দুই বার ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।এই দ্বায়িত্ব পালন কালে তিনি বহু ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তার জন্য তিনি কখনও জাতির জনক বঙ্গ বন্ধুর আর্দ থেকে সওে যায়নি। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসাবে তিনি ছিলেন সবার আগে তার সৎ ন্যায় নিষ্ঠা ও আর্দশ এলাকার জনগণকে মুগ্ধ করেছে।

এলাকার দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে তিনি ছিলেন অবিচল।দীঘ সময় রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করার কারনে জামাত বিএনপি জোট সরকারের রোষানলে পরে বহু মামলা হামলা জুলুম নির্যাতনের শিকারন হন।এর পরও বঙ্গবন্ধুর আর্দশ থেকে কেউ একটুও সরাতে পারেনি। দেশ ও দলের স্বার্থে জননেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার যে কোন নির্দেশ মতো সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগের নির্দেশনায় দলীয় নেতা কর্মিদের সাথে নিয়ে সব সময় রাজ পথ নিজেদের দখলে রেখেছে।
বর্তমানে ধামসোনা ইউপি আওয়ামীলীগের একজন সফল সাধারন সম্পাদক হিসাবে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা সৃষ্টি হয়েছে।তার রাজনৈতিক দুরদর্শিতা ও মেধায় তিনি একজন বড় ধরনের রাজনৈাতক ব্যাক্তিত্বদের সময় উপযুগি।দীঘ সময় ধরে যে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন সেই জন্য তিনি আবারও ধামসোনা ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক হওয়ার যোগ্য বলে মনে করছে এলাকার সাধারন মানুষ।এই দীর্ঘ সময় রাজনীতিতে থাকা কালীন বহু সামাজিক সংগঠনের দ্বায়িত্ব পালন করেন।সৎ ভাবে ব্যবসা পরিচালনার সময় তিনি ভলিবদ্র বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন।এর পর হাসেম প্লাজা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ছিলেন,সমশের প্লাজা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি হিসাবে বর্তমানে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।এছাড়া বহু মাদ্রাসা ও স্কুল প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির দ্বায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ ৩ যুগ ধরে ধারাবাহিক রাজনৈতিক সফলতা দেখলে ধামসোনা আওয়ামী লীগে তার বিকল্প নেই। আগামী কাউন্সিলে আবারও হাজী মতিউর রহমান মতিনকে সাধারন সম্পাদক হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

হাজী মতিউর রহমানের দাদার এলাকায় ১০০ বিঘা জমি ছিল তার বাবা ছিল এলাকার মাদবর তাদের পুর্ব থেকে বিপুল পরিমান সম্পদ ছিল। তিনি আগে থেকেই সম্পদশালী তার বিরুদ্ধে যে সকল মিথ্য বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সেটি সঠিক নয়।তার রাজনৈতিক পদ পদবী নিয়ে একটি কুচক্রী মহল নানা মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে জন মনে বিভান্ত্রি ছাড়ানোর চেষ্টা করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *