আশুলিয়া ইউপি আ.লীগে নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হেলাল উদ্দিন

আশুলিয়া ইউপি আ.লীগে নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হেলাল উদ্দিন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত আওয়ামীলীগের সৈনিক, নৈতিক গুণসম্পন্ন দক্ষ সাংগঠনিক শক্তির অধিকারী, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন আওয়ামীলীগের নিবেদিত প্রাণ।  বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, দুরন্ত সাহসী মুজিব সৈনিক, কর্মনিষ্ঠা এবং আদর্শের প্রতি একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে নিরলস শ্রমের মাধ্যমে আশুলিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের আঙ্গিনায় তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক চেতনা ধারণকারী জনকল্যাণকামী হিসেবে আশুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, ঢাকা জেলার সাবেক শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান, আশুলিয়া ইউপি আ.লীগের সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন। তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালিন একটি টাকাও আত্মসাৎ বা দুর্নীতি করেছেন বলে কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। তার বিরুদ্ধে মিডিয়ায় কোন সংবাদ প্রচার হয়নি। সততার সাথে তিনি তার দ্বায়িত্ব পালন করেছেন তার সময়ে স্থানীয় আর বহিরাগত নিয়ে কখনোই কোন বিভেদ সৃষ্টি হয়নি। তিনি পরিষদে আগত সবাই কে সুযোগ দিয়েছেন সমানভাবে। বিচার আচারে সুষ্ঠ সমাধানের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ কে করেছেন কার্যকর। পরিষদের সদস্যদের কাছে তিনি ছিলেন পরম আত্মীয়ের মতো।

সরকারের প্রতিটি ত্রাণ অনুদান নিজে উপস্থিত থেকে জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করেছেন। গবীব অসহায় মানুষ তার কাছে সাহায্যে চেয়ে কখনো বঞ্চিত হয়নি।  ছুটির দিন ব্যাতিত প্রতিদিন পরিষদে সময় দিয়েছেন তিনি,নির্ধারিত দিন করে পরিষদে আসেননি।  সততা নিষ্ঠাবান কর্মী বান্ধব যিনি ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে আদর্শের সৈনিক,যিনি অন্যায়ের কাছে কখনো নিজেকে বিক্রি করেনি, তিনি আশুলিয়া আওয়ামী লীগে কোনো অনুপ্রবেশ কারী হাইব্রীড নন, দীর্ঘদিন তিনি আ.লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসেননি। তার রয়েছে সু-দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার।  এখনো তিনি আ.লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে নিয়মিত মাসিক সভায় মিলিত হন, নেতাকর্মীদের কার কি অভিযোগ, চাওয়া পাওয়া ও আগামীদিনের কর্মপন্থা সব কিছু সুচারুভাবে তিনি সম্পন্ন করেন।  তার হাত ধরে আজকের আশুলিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের শক্তিশালী অবস্থান। পরাপকারী, দরিদ্র মানুষকে সহায্যকারী শ্রমিক অধ্যুষিত আশুলিয়ার সাধারণ শ্রমিক ও আপামর জনসাধারণের কাছেও একটি জনপ্রিয় নাম মোঃ হেলাল উদ্দিন।

তিনি আশুলিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে উপজেলা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধাভাজন সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে তার রয়েছে অত্যান্ত সু নিবিড় সম্পর্ক । রাজনীতিতে এগিয়ে চলেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ভালোবাসা আন্তরিকতা আর সহযোগিতা নিয়ে। আ.লীগের প্রতিটি কার্যক্রমে তিনি সক্রিয় ভুমিকা পালন করে চলেছেন। পারিবারিক সূত্রে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্নাত আওয়ামী লীগের রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন তিনি। বিগতদিনে বিএনপি জোট সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় রাজপথের এই লড়াকু যোদ্ধা দিনে দিনে আ.লীগের প্রতিটি কর্মীর কাছে হয়ে উঠেছেন অসাধারণ ও নির্ভরযোগ্য এক মুজিব আদর্শের পথিকৃৎ।

আর তাই আসন্ন আ.লীগের ইউনিয়ন কাউন্সিলে মোঃ হেলাল উদ্দিন কে আবারো আশুলিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি পদে বহাল চায আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ প্রসঙ্গে আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, আলহাজ্ব হেলাল উদ্দিন জানান, ১৯৮৪ সাল সাভার কলেজের ছাত্র ছিলাম তখন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি ভাললাগা আর ভালবাসা থেকেই আমি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হই। আর তখন আমি তরুণ যে কোন অান্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে অত্র কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিযে নেতৃত্ব দিয়েছি। কর্মদক্ষতা আর রাজনীতিতে একনিষ্ঠতার দরুণ সাভার কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হই। আর তখন থেকেই মূলত আমার আ.লীগের রাজনীতির সাথে পথচলার শুরু। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে স্বজনহারা আমার প্রাণপ্রিয় জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশিত পথেই আমার পথচলা। বিগত দিনে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছি।এছাড়াও আ.লীগের জন্য নিবেদিত হয়ে প্রতিটি দলীয় অনুষ্ঠান নিজ অর্থে সম্পন্ন করেছি। তিনি আরো বলেন, ২০১১সালে আশুলিয়া ইউনিয়নের জনগনের ভালবাসা নিয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই এবং ২০১৩ সালে আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। নির্বাচিত হয়ে-ই রাস্তাঘাট স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়নে ব্যাপাকভাবে কাজ করে, যে রাস্তায় এক সময় মানুষ চলতে পারতো সে রাস্তায় এখন বড় বড় কার্গো ট্রাক বাস চলে। আশুলিয়ার অধিকাংশ রাস্তা স্থায়ী নির্মাণের লক্ষে আরসিসি ডালাই দিয়ে তৈরি করেছি যা আরো ৫০/৬০ বছরেও কিছু হবে না। আমার কাছে যে কোন মানুষ সমস্যা নিয়ে আসলে আমি দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করেছি। যেকোন সমস্যা সমাধানে স্থানীয়দের পাশাপাশি বহিরাগতদেরকেও সমান সুযোগ দিয়েছি। চেয়ারম্যান থাকাকালিন ১টি টাকার দুর্ণীতি করেছি বলে কেউ প্রমাণ করতে পারবে না।

আমি পারিবারিকভাবেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার বাবা বঙ্গবন্ধুর আর্দশের চিরকাল একজন গোর সমার্থক ছিলেন । আমার আপন চাচা বঙ্গবন্ধুর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেছিলেন। তিনি আরো জানান, আসন্ন আ.লীগের ইউনিয়ন কাউন্সিলে আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেকাকর্মীদের আগ্রহে এবং তাদের ভালবাসায় আমি পুনঃরায় সভাপতি পদপ্রার্থী। সিনিয়র নেতৃবৃন্দ আমার বিগতদিনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কে মূল্যায়ন করে আমার ভূলত্রুটি ক্ষমা করে যদি পুঃরায় সুযোগ দেয় তবে আশুলিয়া আ.লীগ কে আরো শক্তিশালী সুশৃঙ্খল সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত আছি ইনশাল্লাহ ।‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাশা অনুসারে আ.লীগের একজন কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিজেকে উৎসর্গ করেছি এতেই আমার শান্তনা। আমি যতকাল বেঁচে থাকব আমার শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত আমি আ.লীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *