ইউপি নির্বাচনে সদস্য পদে  টাকা জমা দিতে গেলে নির্বাচন অফিসে গিয়ে জানতে পারেন তিনি মৃত

রাজনীতি

ইউপি নির্বাচনে মো. আলী আহমদ লড়বেন সদস্য প্রার্থী হিসেবে। তাই জমা দিতে যান টাকা। এরপর উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে জানতে পারেন তিনি মৃত।

এমন ঘটনা ঘটেছে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাওঁ ইউনিয়নে। ভুক্তভোগী উনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের ব্রাক্ষণগাঁও গ্রামের মৃত আসক আলীর ছেলে।

ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের ব্রাক্ষণগাঁও গ্রামের মৃত আবদুল আউয়ালের ছেলে মো. কমর আলীর সঙ্গেও ঘটেছে একই ঘটনা। তাকেও মৃত দেখিয়েছে নির্বাচন অফিস। এতে তাদের নির্বাচনের স্বপ্নতো দূরের কথা এখন ভোটাধিরও হারিয়েছেন তারা।

এসব বিষয়ে রবিবার (১০ অক্টোবর) ছাতক উপজেলা নির্বাচন কমিশনার বরাবরে পৃথক তিনটি অভিযোগ করেছেন আলী আহমদ, কমর আলী ও ছিদ্দেকুর রহমান নামের তিনজন ভূক্তভোগী।

আলী আহমদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ পূবালী ব্যাংক শাখায় একাউন্ট করতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানান তার জাতীয় পরিচয়পত্রটি অনলাইনে দেখাচ্ছে না। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে জানতে পারেন জাতীয় পরিচয়পত্রে তাকে মৃত দেখিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

কমর আলী অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮নম্বর ওয়ার্ড থেকে মেম্বার প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে এবার নির্বাচনের আগে তাকে মৃত দেখিয়ে তার পরিচয় পত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া, একই ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের চাকল পাড়া গ্রামের মো. আবদুল আমিনের ছেরে মো. ছিদ্দেকুর রহমানকে ৯নম্বর ওয়ার্ডে ভোট স্থানান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি উপজেলা নির্বাচন কমিশন পৃথক একটি অভিযোগে উল্লেখ করেন। তিনিও মেম্বার পদে নির্বাচনে কাজ করছিলেন।

গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখলাকুর রহমান জানান, জীবিত মানুষকে মৃত দেখানো পাপ কাজ। তিনি এমন কাজে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তদন্তের মাধ্যমে অন্যায়কারীদের চিহ্নিত করে দেশের আইন অনুযায়ী শাস্তি হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

পৃথক তিনটি লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. ফয়েজুর রহমান জানান, এগুলো কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *