এনডিডি প্রতিবন্ধীদের জন্য মিলবে আজীবন সেবা

বাংলাদেশে প্রায় তিন লক্ষাধিক স্নায়ুবিক বিকাশজনিত প্রতিবন্ধী রয়েছেন, যারা শারীরিক ও মানসিক বিকাশজনিত সীমাবদ্ধতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুবিধা হতে বঞ্চিত। তারা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের স্নায়ুবিক বিকাশজনিত প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন, যা জীবনভর বয়ে বেড়াতে হয়। এসকল প্রতিবন্ধীর জন্য ‘এনডিডি সেবা ও সাহায্যকেন্দ্র’ নামে নতুন একটি প্রকল্প প্রণয়ন করেছে নিউরাে ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅ্যাবিলিটিস (এনডিডি) সুরক্ষা ট্রাস্ট।

এসব সাহায্যকেন্দ্রে আজীবন সকল ধরনের সেবা পাবেন এনডিডি প্রতিবন্ধীরা। এমনকি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাবা-মায়ের মৃত্যু হলে তার দায়িত্বও নেবে এনডিডি ট্রাস্ট।জানা গেছে, অটিজম দূর করতে ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ফর নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজঅর্ডার ২০১৬-২০২১’ প্রণয়ন করেন বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল।

সেই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে এনডিডি সুরক্ষা ট্রাস্ট। প্রায় সোয়া তিন লাখ এনডিডি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সকল ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করে তাদের স্বাভাবিক জীবনমান উন্নয়নে ‘এনডিডি সেবা ও সাহায্যকেন্দ্র’ প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

এসব সেবাকেন্দ্রে বিহ্যাবিলিটেশন সেবা, মুহা. থেরাপিউটিক সেবা, কাউন্সেলিং সেবা ও স্বাস্থ্যশিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং সহায়ক উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে স্নায়ুবিক বিকাশজনিত প্রতিবন্ধীদের সক্ষমতা উন্নয়ন সাধন করে তাদের সমাজের মূলস্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা হবে।

এই কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে স্নায়ুবিক বিকাশজনিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বয়সভিত্তিক জীবনচক্রের বিভিন্ন ধাপে স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের সঙ্গে সমতা উনয়নের জন্য প্রয়ােজন মাফিক পরিকল্পিতভাবে গবেষণাধর্মী সেবা দেয়া হবে।

এছাড়াও এই কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে স্নায়ুবিক বিকাশজনিত প্রতিবন্ধীদের সাধারণ স্বাস্থ্যসেবাসহ ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ থেরাপি, সাইকো-সােশ্যাল কাউন্সিলিং এবং সহায়ক উপকরণ যেমন- হুইল চেয়ার, থেরাপি সরঞ্জাম, কৃত্রিম অঙ্গসহ আনুষঙ্গিক উপকরণ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

প্রকল্পভুক্ত কেন্দ্রগুলােতে এনডিডি প্রতিবন্ধী শিশুর পিতা-মাতা ও অভিভাবককে অস্বাভাবিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ, অতিচঞ্চলতা নিয়ন্ত্রণ, ভীতি নিয়ন্ত্রণ, পীড়ন নিয়ন্ত্রণ, মনােযােগ বাড়ানাে, মেজাজ নিয়ন্ত্রণ, ব্যক্তিত্বের বিকাশ, সুষম খাদ্য গ্রহণ ও পরিচর্যা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

এনডিডি সেবা ও সাহায্যকেন্দ্রের মাধ্যমে স্নায়ুবিক বিকাশজনিত প্রতিবন্ধী শিশু, শিশুর অভিভাবকদের আয় নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদেরকে বৃত্তিমূলক কাজে সম্পৃক্ত করতে এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

এনডিডি সেবা ও সাহায্যকেন্দ্র প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৪ জেলা সদর, উপজেলা ও অন্যান্য উপজেলায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এনডিডি সেবা ও সাহায্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। পরবর্তীতে এই সেবাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

যেসব সুবিধা থাকবে সেবাকেন্দ্রে

এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীরা আজীবন সকল সেবা পাবেন। জন্মের পর শনাক্তকরণ থেকে শুরু করে তার চিকিৎসা, চলাফেরা, চাকরি, কর্মস্থল, বাসস্থান, জীবন-যাপন, সুরক্ষাসহ সবকিছুতে তাকে সহায়তা করা হবে। শূন্য বয়স থেকে যতদিন একজন প্রতিবন্ধী বেঁচে থাকবেন তার যত রকম সেবা দরকার হয় তা এই কেন্দ্রের মাধ্যমে পাবেন।

কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাবা-মা মারা গেলে তাদের সুরক্ষার জন্য গার্ডিয়ানশিপ চালু করবে এনডিডি ট্রাস্ট, এজন্য ইতোমধ্যে দুইটি গাইডলাইন অনুমোদন দেয়া হয়েছে। একটি হলো অভিভাবক নিবন্ধন, সেক্ষেত্রে কারো পরিবারের কেউ এমন অটিস্টিক থাকলে আবেদন করতে হবে, সেটি বিবেচনা করে অভিভাবক নিয়োগ করবে এনডিডি ট্রাস্ট। ফলে জায়গা, সম্পত্তি, সরকারি যেসব সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে সবকিছু সেই অবিভাবকের মাধ্যমে যাবে।

আর যদি সংগঠন তৈরি করা হয় এবং সেই সংগঠন যদি প্রতিবন্ধীদের জন্য কোনো ঘর তৈরি করে বা কোনো উদ্যোগ নেয় তার জন্য টাকা দেবে এই ট্রাস্ট। এই টাকা এককালীন বা নিয়মিত হতে পারে। তবে আর্থিক সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে সেই অটিস্টিক ব্যক্তির চাহিদার উপর নির্ভর করবে।.

এছাড়াও সেবা নিতে আসা প্রতিবন্ধীদের সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবারও দেয়া হবে। সেখানে একজন পুষ্টিবিদও থাকবেন, তিনি পুষ্টিবিষয়ক সকল পরামর্শ দেবেন। কার কী ধরনের খাদ্য প্রয়োজন, সেসব তিনি পরামর্শ দেবেন। কমিউনিটি ওয়ার্কার, ফিজিও থেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, চুক্তিভিত্তিক ডাক্তার, পুষ্টিবিদসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল সেবাকেন্দ্রে নিয়োজিত থাকবেন।

আর প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রস্তাবিত সেবাকেন্দ্রে ভ্যানগাড়ির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে কয়েক ঘণ্টা পর পর গাড়িগুলো ঘুরবে এবং অটিস্টিক শিশুদের আনা-নেয়ার কাজ করবে। এই প্রকল্পে প্রতিবন্ধীদের জন্য স্বল্প পরিসরে আবাসিক ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। প্রতিবন্ধী শিশুর অভিভাবক জরুরি কোনো কাজে বাইরে গেলে তখন তাকে আবাসিকভাবে পাঁচ থেকে সাত দিন সেবাকেন্দ্রে রাখা হবে।

এদিকে প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়াতে ইতোমধ্যে সুপারিশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ। বর্তমানে প্রতিবন্ধী ভাতা ৭৫০ টাকা আছে, এটিকে বাড়িয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর যাদের বয়স ৬০ বছরের বেশি তারা তিন হাজার টাকা পাবেন।

যেসব জায়গায় হচ্ছে সেবাকেন্দ্র

প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা বিভাগে দুইটি, ময়মনসিংহ বিভাগে দুইটি, বরিশাল বিভাগে একটি, খুলনা বিভাগে একটি, রাজশাহী বিভাগে একটি, রংপুর বিভাগে তিনটি, চট্টগ্রাম বিভাগে তিনটি ও সিলেট বিভাগে একটি সেবাকেন্দ্র করা হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ সদর উপজেলা, নেত্রোকোনা সদর উপজেলা, বরিশাল সদর উপজেলা, যশোর সদর উপজেলা, বগুড়া সদর উপজেলা, রংপুর সদর উপজেলা, গাইবান্ধা সদর উপজেলা, লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, নোয়াখালী সদর উপজেলা, কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা, সিলেট সদর উপজেলায় সেবাকেন্দ্রগুলো হবে।

এই ১৪টি কেন্দ্র উপজেলার এমন জায়গায় করা হবে যেখান থেকে অন্য উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো।এছাড়াও ভবিষ্যতে যেখানে অটিস্টিক স্কুল আছে, সেখানে এই সেবাকেন্দ্র করার পরিকল্পনা রয়েছে। অটিস্টিক স্কুলের ভবন যদি একতলা বিশিষ্ট হয়, তাহলে দোতলা নির্মাণ করে সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এক্ষেত্রে স্কুল ও সেবা কার্যক্রম একসঙ্গে করা সম্ভব হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রকল্পের ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৫০ কোটি টাকা। সেখানে জনবলের বেতন, যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য খাতের খরচ রয়েছে। আর প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে তিন বছর। তবে এই প্রকল্পে খরচ কমাতে কিছু দেশীয় উপকরণ তৈরি করা হবে। প্রতিবন্ধীদের সংকেত বা প্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের মাধ্যমে তারা বুঝতে পারবেন, সেগুলো দেশীয় জিনিস দিয়ে তৈরি করা হলে অন্য দেশের মতো ব্যয়বহুল হবে না।

এছাড়াও অটিস্টিক স্কুল যেখানে আছে সেখানে স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজেরাই সেবাকেন্দ্রের জন্য জায়গা দিলে সরকার কম খরচে ভবন করতে পারবে। এর ফলে ব্যয় অনেকটা সাশ্রয় হবে। আর এই সেবাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য বিভিন্ন ডোনারের কাছ থেকে টাকা নিতে পারবে এনডিডি ট্রাস্ট, সে বিষয়টি তাদের আইনেও বলা আছে। ১০ থেকে ১২টি বড় কোম্পানি এর সঙ্গে যুক্ত থাকলে সেই তহবিল সেবা কেন্দ্রের কাজে ব্যবহার করা হবে।

প্রতিবন্ধী অধিকার সুরক্ষা আইন-২০১৩ এর ১৭ ধারায় ২৪টি কাজের কথা বলা হয়েছে। সবগুলো কাজ এই সেবাকেন্দ্রের মাধ্যমে হবে। প্রতিবন্ধী শনাক্তকরণের জন্য একটি মোবাইল অ্যাপস তৈরি হয়েছে। এছাড়াও প্রতিবন্ধী শনাক্তের জন্য মোবাইলে অটোমেশন সিস্টেম চালু করা হবে। সেক্ষেত্রে অভিভাবকের কাছে একটি অ্যাপস থাকবে, সেখানে যদি সকল প্রশ্নের উত্তর সমন্বয় করে চূড়ান্ত ফলাফল ‘হ্যাঁ’ আসে তখন বোঝা যাবে তার সমস্যা আছে।

সেক্ষেত্রে সেই ম্যাসেজ চলে যাবে তিনজনের কাছে। একটি যাবে হেড অফিসে, একটি চিকিৎসকের কাছে এবং একটি থেরাপিস্টের কাছে। পরে থেরাপিস্টের ম্যাসেজ যাবে তিন জায়গায়। ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে যে ম্যাসেজ যাবে সেখানে বলা থাকবে চিকিৎসকের কাছে কখন যাবেন, থেরাপিস্টের কাছে কখন যাবেন, হেড অফিসে কখন যাবেন, আইডি কার্ড নেয়ার জন্য সমাজসেবা অফিসে কখন যাবেন, ভাতার জন্য কখন যাবেন।

সব ম্যাসেজ অটোমেটিক চলে যাবে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেই সিস্টেমটি চালু করা হবে।প্রকল্পের বিষয়ে নিউরাে ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মাে. আনােয়ার উল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, ‘চার ধরনের প্রতিবন্ধী নিয়ে এনডিডি ট্রাস্ট কাজ করে। এ চার ধরনের মধ্যে অটিজম, সেরিব্রাল পালসি, ডাউন সিনড্রোম ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী।

বাংলাদেশে ডাউন সিনড্রোম কম হলেও বাকি তিনটির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। একই সঙ্গে এসব প্রতিবন্ধীর জীবনকালও বাড়ছে। আগে যেমন ৪০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যেই মারা যেতেন, সেখানে এখন বিভিন্ন চিকিৎসাসহ সাপোর্ট পাওয়ার ফলে তাদের বয়সসীমা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তাদের গড় আয়ু বেড়েছে। শূন্য থেকে যারা ৭০ বছর বাঁচে তাদের একেক সময় একেক জিনিসের দরকার হয়।

এই চার ধরনের প্রতিবন্ধীর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অন্যের সহায়তা নিতেই হয়। এই প্রতিবন্ধীদের যারা সহায়তা করছে তাকেও সরকারের মনিটর করতে হবে। কারণ এটি সরকারের দায়িত্ব। আমরা ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মতো জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ‘এনডিডি সেবা ও সাহায্যকেন্দ্র’ করতে চাচ্ছি। পরবর্তীতে এটি রাজস্ব খাতে চলে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি সেবাকেন্দ্র দিয়ে শুরু করব, প্রয়োজনে পরে আরো বাড়ানো হবে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে আমরা আজীবন একজন প্রতিবন্ধীকে সেবা দিতে চাই। এই সহায়তাকেন্দ্রটি মূলত অটিজম কর্নার বা অন্যান্য সেবার জন্য করা হচ্ছে। এতে তার বীমা, বয়সভিত্তিক সেবা দেয়া সহজ হবে।

একজন প্রতিবন্ধী শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার শারীরিক কিছু পরিবর্তন হয়। তাকে সেবাকেন্দ্রে আনা হলে তার সাইকোলজিক্যাল ও মেন্টাল চেঞ্জটা হবে। সেজন্য কিছু থেরাপি দরকার, যা বাবা-মা দিতে পারেন না। এটা বিশেষজ্ঞ দিয়ে দিতে হবে। সেসব থেরাপিও আমরা দেব।’

এ বিষয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, “বাংলাদেশে অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় সোয়া তিন লাখ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় ২০১৩ সালে সরকার নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন প্রণয়ন করে।

এনডিডি ট্রাস্টের মাধ্যমে অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের ভাতা প্রদানের পাশাপাশি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সহায়তা করা হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে উন্নয়নের মূলস্রোতে আনতে সরকার সচেষ্ট।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *