গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষগুলি কেমন আছে

দেশের গ্রামাঞ্চলে নিম্ন আয়ের মানুষ, বিশেষ করে দিনমজুর শ্রেণীর মানুষ নিদারম্নণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। উচ্চমূল্যের বাজারে তাদের হাতে কাজ নেই। আয়-ব্যয়ের সঙ্গতি না থাকায় দরিদ্র মানুষেরা হাঁস-মুরগি, গরম্ন-ছাগল, থালা-বাসন বিক্রি করে পেট চালাচ্ছেন। সরকারের ১শ’ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচিতে কিছু মানুষ কাজ পেলেও কর্মহীন মানুষের সংখ্যা রয়েছে অনেকগুণ বেশি। তার ওপর কর্মসূচিতে দৈনিক মজুরি মাত্র ১০০ টাকা নির্ধারণ করায় কাজে অংশগ্রহণে উৎসাহ পাচ্ছে না অনেকেই।

গ্রামে কাজ না থাকায় চুরি থেকে শুরম্ন করে ছোট-খাটো ছিনতাই এমনকি দসু্যতাও বেড়েছে। উত্তরাঞ্চলে প্রায় ২ কোটি কৃষাণ মজুর রয়েছে বেকার। চট্টগ্রাম শহরমুখী অভাবী মানুষের স্রোত প্রতিদিন বাড়ছে। কর্মসৃজন কর্মসূচি সেখানে দরিদ্র মানুষের

অভাব দূর করতে তেমন কোন অবদান রাখতে পারেনি। বরিশালের অধিকাংশ এলাকায় এখনও এই কর্মসূচির টাকা পেঁৗছায়নি। ঈদের আগে পৌছানোর আশাও কম।পিরোজপুর  থেকে জানা যায়, দৰিণাঞ্চলের মানুষের কাছে এক বেলা দু’মুঠো অন্নের সংস্থানই এখন সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ।

দৰিণাঞ্চলে আশ্বিন-কার্তিক মাসে মঙ্গার মত খাদ্যাভাব প্রকট না হলেও কার্তিকের আকাল মানুষকে চিরকাল সংকটাপন্ন করে আসছে। এ সময় কাজের অভাব থাকে সর্বত্র। আমন রোপণের মৌসুম শেষ করার পর সীমিত এলাকায় হাতেগোনা কিছু কৃষকের হাতে শীতকালীন আগাম শাক-সবজি চাষের সামান্য কাজ থাকে।

এক সময়ের শস্য ভান্ডার বরিশাল তথা দৰিণাঞ্চলে চিরকাল ধরে এ সংকট কাটাতে সুপারি একটি বিশাল অবদান রেখে আসছিল। কিন্তু গত নভেম্বরে সিডরের তাণ্ডবে এ অঞ্চলের সুপারি চাষ মারাত্মক বিপর্যয়ের কবলে পড়ে। বাগানগুলো লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়ায় এ বছর সুপারির ফলন অর্ধেকেরও কম। এর অনিবার্য প্রভাব পড়েছে এখানকার গ্রামীণ অর্থনীতিতে।

গ্রামে কাজ না থাকায় বেড়ে গেছে চুরিসহ ছোট-খাটো অপরাধ। গ্রামের অতি দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের ১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি কিছু মানুষের বেঁচে থাকার আশ্বাস দিলেও আঞ্চলিক বৈষমের শিকার হয়ে তাও দৰিণাঞ্চলবাসীর জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা দিতে পারছে না।

জনসংখ্যার ভিত্তিতে এ কর্মসূচি বাসত্দবায়ন হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে। পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার সারেঙ্গকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোসত্দফা সরদার বলেন, মানুষের হাতে পয়সা নেই। নেই ঘরে খাবারও।

দরিদ্র মানুষ হাঁস-মুরগি, গরম্ন-ছাগল, থালা-বাসন বিক্রি করে পেট চালাচ্ছেন। প্রতিদিনই বহু মানুষ ইউনিয়ন পরিষদে আসছে নানা সাহায্যের আশায়। শহরে রিকশা চালকসহ দিনমজুরের সংখ্যা আগের চেয়ে বেড়ে গেছে। অভাবের কারণে ছিঁচকে চুরি থেকে শুরম্ন করে ছোট-খাটো ছিনতাই এমনকি দসু্যতাও বেড়েছে।

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা জানান, খাদ্যদ্রব্যের লাগামহীন ঊধর্্বগতিতে এখানকার স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষ দিশেহারা। কর্মসংস্থানের অভাবে এলাকার মোট জনগোষ্ঠীর দিনমজুর ও শ্রমিক শ্রেণীর একটি বিরাট অংশসহ স্বল্প আয়ের মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিনাতিপাত করছে। আয়ের সাথে ব্যয়ের কোনরকম সঙ্গতি না থাকায় ধার-কর্জ করে তারা সংসার চালাচ্ছেন।

কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাসত্দার মোড়ে প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে অনত্দত একশ’ থেকে দেড়শ’ দিনমজুর আসে কাজের সন্ধানে। কোন লোক সকালে ঐ মোড়ে শ্রমিকের খোঁজে আসামাত্র একদল শ্রমিক ছুটে এসে তাদের কাজে নেয়ার জন্য আকুতি জানায়।

এই অপেৰার পর কাজ পেলে শ্রমিকদের ভাগ্যে জোটে ১শ ২০ টাকা থেকে ১শ ৫০ টাকা। অধিকাংশই আবার কাজ না পেয়ে বিফল মনোরথ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বোয়ালদা গ্রামের শ্রমিক জয়নাল, সুলতানপুর গ্রামের আবু তালেব, কালুয়া গ্রামের মফিজ উদ্দিন ও বানিয়াপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম জানান, কাজের অভাবে তারা মাঝেমধ্যে উপোষও থাকছেন।

চট্টগ্রাম  থেকে জানান, অভাবী ও বেকার মানুষের সুবিধার্থে সরকার প্রত্যনত্দ অঞ্চলে ‘কর্মসৃজন কর্মসূচি’ গ্রহণ করলেও থেমে নেই শহরমুখী হতদরিদ্র মানুষের ঢল। ঈদকে একটু আনন্দময় করতে প্রতিদিনই চট্টগ্রামের শ্রম বাজারে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন মুখ।

‘কর্মসৃজন কর্মসূচির’ অধীনে ৫৮ হাজার ৪শ জন কর্মহীন মানুষের জন্য ৫৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার বিশাল বরাদ্দ রাখার পরও অভাবী মানুষের এই শহরমুখী স্রোত থামছে না বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। গ্রামের কর্মহীন মানুষের জন্য এমন বিশাল প্রকল্প গ্রহণের পরও আশানুরূপ সাড়া না মেলার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে পাওয়া গেছে হতাশাজনক চিত্র।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় কর্মরত  প্রতিনিধিরা সরেজমিনে গিয়ে এ কর্মসূচিতে সাড়া না পাওয়ার তিনটি কারণ চিহ্নিত করেছেন। এগুলো হচ্ছে প্রথমত দ্রব্যমূল্যের ঊধর্্বগতি, দ্বিতীয়ত মজুরি প্রাপ্তিতে ভোগানত্দি ও তৃতীয়ত সংসারে বেশি খরচের চাপ। এসব কারণে দৈনিক ১০০ টাকা মজুরির এ কর্মসূচি ফেলে গ্রামের কর্মহীন মানুষ এখনো শহরমুখী হচ্ছে।

নগরীর দেওয়ানহাট শ্রম বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলেছে কর্মসৃজন কর্মসূচিতে নাম অন্তভূক্তির পরও শহরে চলে আসা যুবক আরমানের সাথে। বাঁশখালীতে ২ দিন নতুন এ কর্মসূচিতে কাজ করে ২০০ টাকা আয় করেন আরমান মিয়া।

কিন্তু এ টাকায় তার সংসার না চলায় কাজের খোঁজে শহরে চলে এসেছেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যনত্দ কাজ করে ১০০ টাকা রোজগার করার চেয়ে সারাদিন কাজ করে ২৫০ টাকা আয় করা অনেক ভালো। তাই কাজ ছেড়ে দিয়ে শহরে চলে এসেছি আমি।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আশরাফ শামীম ‘কর্মসৃজন কর্মসূচি’ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দিন ১০০ টাকা আয় করার সুযোগ পাচ্ছে না যারা এ কর্মসূচি নিয়েছে সরকার তাদের জন্যই।

সাতকানিয়া থেকে জানা যায়, কর্মসৃজন কর্মসূচিতে নিবন্ধিত হওয়া অধিকাংশ শ্রমজীবী মানুষ মাত্র ১০০ টাকা মজুরি নির্ধারণ করায় উৎসাহ নিয়ে কাজ করতে পারছে না। সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের প্রানত্দিক কৃষক আবদুল গনি বলেন, সাতজনের সংসারে প্রতিদিন শুধু চালই লাগে ৬০ টাকার। তাই ১০০ টাকার এই আয় ছেড়ে অন্য কিছু করার চিনত্দা-ভাবনা করছি আমি।

শ্রমঘণ্টা বাড়িয়ে মজুরি আরও বাড়ালে বর্তমানে কর্মসূচি আরো ফলপ্রসূ হবে বলে মনত্দব্য করেন এ উপজেলার প্রজেক্ট ইনভেস্টিগেশন অফিসার মোহাম্মদ হোসেন।

লোহাগাড়া থেকে জানা যায়, কর্মসৃজন কর্মসূচিতে এই উপজেলায় বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ কোটি ৭২ লাখ ২০ হাজার টাকা। এ কর্মসূচি বাসত্দবায়নের জন্য ২ হাজার ৮৭০ জন হতদরিদ্র মানুষকে অন্তভূক্ত করা হয়েছে। বরিশাল অফিস থেকে জানান, কর্মসৃজন প্রকল্পের অধীনে কাজ করা বরিশালের অধিকাংশ এলাকাতেই প্রকল্পের টাকা উপকারভোগীদের হাতে পেঁৗছায়নি।

ঈদের পূর্বে হাতে টাকা পাবেন এরকম কোন নিশ্চয়তা তারা পাচ্ছেন না। বৈরি আবহাওয়ার কারণে ২০ দিন তো দূরের কথা অধিকাংশ ইউনিয়নে ১৫ দিনের বেশি কাজ করা সম্ভব হবে না বলে সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন। বরিশাল সদর উপজেলায় ৯৮টি প্রকল্পে ৫ হাজার ৮২০ জন উপকারভোগীর তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

১০টি ইউনিয়নের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে বরাদ্দ এসেছে ৩ কোটি ৪৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো ৪০ ভাগ টাকা বরাদ্দ দিয়ে মার্চ-এপ্রিল মাসে কাজ করানো হবে বলে জানা গেছে। সদর উপজেলার প্রকল্প বাসত্দবায়ন কর্মকর্তা জানান, গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে এখানে পুরোদমে কাজ শুরম্ন হয়েছে। মুলাদীর বাটামারা, ছবিপুর ও মুলাদী সদর ইউনিয়নে কাজ শুরম্ন হলেও লঘুচাপের কারণে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কাজ ব্যাহত হয়।

ঐ উপজেলায় ৮৫টি প্রকল্পে ২ হাজার ৫শ’ লোককে কাজ দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ এসেছে দেড় কোটি টাকা। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যানদের হাতে এখন পর্যনত্দ কোন টাকা পৌছায়নি।

ছবিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মুন্সী ও কাজিরচরের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম মাস্টার জানান, প্রকল্পের কাজ চললেও উপকারভোগীদের এখন পর্যনত্দ কানাকড়িও দেয়া সম্ভব হয়নি।

মুলাদী সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের উপকারভোগী জসিম খান, আব্দুর রশিদ, আবুল কালাম ও শহিদুল ইসলাম ৰোভের সাথে জানান, সরকারি কাজ করে তারা কোন টাকা পাচ্ছেন না। বরিশাল জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মেহেন্দিগঞ্জে।

সেখানে ৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৫৮টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর উপজেলার জাঙ্গালীয়া, বিদ্যানন্দনপুর, আন্ধারমানিক ও চরএকুরিয়া ইউনিয়নে কাজ শুরম্ন হয়। বর্ষা ও জোয়ারের পানির কারণে ১৭ সেপ্টেম্বর সকল ইউনিয়নের কাজ বন্ধ ছিল। ঐ উপজেলায় প্রকল্প বাসত্দবায়ন কর্মকর্তা না থাকায় সকল ইউনিয়নে কর্মসূচি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।

হিজলার পিআইও মেহেন্দিগঞ্জে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু তিনি সপ্তাহে মাত্র একদিন মেহেন্দিগঞ্জে আসেন বলে জানা গেছে। যে কারণে সরকারের ১শ’ দিনের কর্মসূচিসহ বিভিন্ন প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে।

হিজলায় কাগজে-কলমে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ ইউনিয়নে কাজ শুরম্ন হয়েছে দেখানো হলেও মূলতঃ এখন পর্যনত্দ তেমন কোন কাজ পরিলৰিত হয়নি।

বাবুগঞ্জের ৬টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৯১০টি দরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করে তাদের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ শুরম্ন করা হয়। ৩০ নভেম্বর পর্যনত্দ ঐ উপজেলায় ১ কোটি ১৪ লাখ ৬০ হাজার টাকার কাজ সম্পন্ন করা হবে। ঐ উপজেলার সকল ইউনিয়নে পুরোদমে কাজ শুরম্ন হয়েছে।

বানারীপাড়া সংবাদদাতা জানান, এখানে ৩৬৭টি প্রকল্পের ৬০ ভাগ কাজ প্রাথমিকভাবে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বন্যায় ৰতিগ্রসত্দ ঘরবাড়ি মেরামত, সাঁকো নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ, কচুরিপানা ও জঙ্গল পরিষ্কারের বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। উপজেলার ২ হাজার ৫০ জন মৌসুমী শ্রমিককে নিবন্ধিত করা হয়েছে। পুরম্নষ শ্রমিকদের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরাও এ প্রকল্পে কাজ করছে। আগৈলঝাড়ায় উপকারভোগীরা মঙ্গলবার পর্যনত্দ কোন টাকা পাননি।

খুলনা থেকে জানা যায়, রোজার মাসে বরাবরের মত এবারও পণ্যমূল্যের ঊধর্্বগতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনকে আরো দুর্বিষহ করে তুলেছে। বিভিন্ন খাতে খরচ কমিয়েও সংসার চালানো মুশকিল হয়ে পড়েছে।

সদর উপজেলার রাজপাট গ্রামের ভ্যান রিকশাচালক আব্দুল শেখ জানালেন, ‘সারাদিন রিকশা চালায়ে ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা আয় করতে কষ্ট অয়। মানুষ দায় না ঠেকলে এহন রিকশায় উটতি চায় না বলে আয়ও কম। ৪ জনের সংসারে আধপেটা খেয়েও টিকতি পারতিছি না রে ভাই।’ আব্দুল শেখের মত এমন অবস্থা অনেকেরই।

খুলনা মহানগরীর খালিশপুর শিল্পাঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষের অধিকাংশই ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খালিশপুর এলাকার বন্ধ হয়ে যাওয়া বিভিন্ন শিল্প-কারখানার বেকার শ্রমিকরা কোন না কোন কাজ করে সংসার চালানোর চেষ্টা করছে।

কিন্তু তাদের আয়ে সংসার চলে না বলে বিভিন্ন এনজিও’র কাছ থেকে ঋণ করতে হচ্ছে। খালিশপুর লাল হাসপাতাল মোড়ের বাসিন্দা ময়েজউদ্দিন বললেন, এক বছরের বেশি হলো পিপলস জুট মিল থেকে চাকরি গেছে। তারপর থেকে রিকশা চালিয়ে কোনমতে সংসার চালানোর চেষ্টা করেছি।

কিন্তু একার আয়ে ৫ জনের সংসার চলে না। উপায় না পেয়ে সমিতি (এনজিও) থেকে ঋণ নিয়ে এখন আরো বিপদে আছি। সরকার ১০০ দিনের কর্মসৃজন গ্রহণ করলেও তার কোন প্রভাব এখনো দেখা যাচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *