চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানি মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের চারকির কোটা আদায়ের জন্য মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

তাহসানুর রহমান শাহজান:

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ)লিঃএর চিনিকলে গত ২০১৯-২০২০ মাড়াই মৌসুমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োজন প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের চলতি মৌসুমের শুরু হতে কাজে যোগদান না করানো ও সকল প্রকার নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োজন প্রাপ্তদের অবস্থান কর্মসুচি,মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠানে

লাগাতার আন্দোলনের অংশ হিসাবে বুধবার ৩ই মার্চ বেলা সাড়ে ১১ টার সময় মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অফিসের সামনে অবস্থান ধর্মঘট, মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম ।

তাদের অভিযোগ ২০১৯-২০২০ মাড়ায় মৌসুমে নিয়োজনকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা কেরু চিনিকলে চলতি মাড়াই মৌসুম উদ্বোধনের দিন ১৮/১২/২০২০ কাজে যোগদান করতে গেলে চিনিকলের ব্যাবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ তাদের কাজে যোগদান হতে বিরত রাখেন।
এ বিষয়ে কেরু চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সাঈদ স্বাধীনদেশ ৭১ টিভি কে বলেন, আমরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

পরে যোগদান বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা একত্রিত হয়ে আন্দোলনের ঘোষনা দেন এবং যতদিন পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কাজে যোগদান করতে দেওয়া না হবে এবং কেরু চিনিকলে সকল নিয়োগ/নিয়োজনের ক্ষেত্রে ৩০% কোটা সংরক্ষন করা না হবে ততদিন তারা রাজ পথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে দামুড়হুদা উপজেলা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটির সভাপতি রুস্তম আলী,সাবেক জেলা ইউনিট কমান্ডার তানজির আহমেদ ,বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম সবুর , বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.খালেক,সাবেক,বীর মুক্তি যোদ্ধার আব্দুল হান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী জয়নাল আবেদীন,বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনারুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল বারেক বীর মুক্তিযোদ্ধা জেলা সাংগাঠনিক কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের মো.ইকবাল হোসেন, নাজিম উদ্দীন, রবিউল ইসলাম,হুমায়ন কবির, খালেদ বারী সাবানা খাতুন প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *