মহামারি করোনায় অসহায় বিধবাকে কেউ করেনি করুণা

করোনা মহামারিতে লকডাউনে আটকে থাকা অসহায় পরিবারগুলোকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ টাকা দিয়ে সহযোগীতা করছে দেশের সরকারি উচ্চ পদস্থ দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। আর এসব উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নে মফস্বলে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারগণ।সংখ্যালঘু জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বে অবহেলা ও অসম বন্টনের কারণে সরকারী এ সুযোগ সুবিধা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে সাহায্য পাওয়ার উপযুক্ত বহু অসহায় পরিবার।এমনিভাবে বাদ পড়া এক বিধবা মহিলার নাম হাজেরা (৩৫)। বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের কামুড়া গ্রামে। স্বামী আব্দুল মোমিন ৬ বছর আগে মারা যাবার পর ২ টি সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে আছেন তিনি। থাকছেন ভাইয়ের দেয়া ছোট্ট একটি পুরাতন জড়াজীর্ণ ঘরে। বাবার বাড়ি একই উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের ওয়াইজনগর গ্রামে (নাটরশাহ্ মাঠ সংলগ্ন)। বাবার নাম মৃত কুটি মাঝি। হাজেরার স্বামী মারা যাবার এক বছর পর বাবা মারা গেলে সংসারে নেমে আসে বড় অভাব।

নিষ্পাপ দুটি সন্তানের মুখে অন্ন জোগাতে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় রান্নাবান্নার কাজ নেন তিনি। বর্তমানে করোনার প্রভাবে মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় কর্মও বন্ধ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিত্তবানদের সহযোগীতা না পাওয়ায় সম্প্রতি তিনি শ্বশুর বাড়ি এলাকায় যান সাহায্যের জন্য। দৈনিক ভোরের ডাক-এর সিংগাইর প্রতিনিধি মিজানুর রহমান সরদারের সহধর্মীনি সালমা রহমান নগদ অর্থ দিয়ে তাকে সহযোগীতা করেন এবং প্রতিবেদকেঅভাগা নারীর অসহায়ত্বের বর্নণা দেন।

পরে এ প্রতিবেদক সম্প্রতি ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে ঈদ উপহার ও ইফতার সামগ্রী তার বাবার বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসেন। এসময় হাজেরা ও তার মা বছিরন বেগম (৬৫) শুনাতে থাকেন তাদের পরিবারে অভাবের ভয়াবহতা। অর্থের অভাবে পড়ালেখা করাতে না পারাছেলে টুটুল (১৬) সংসারের হাল ধরতে কিছুদিন অটোরিক্সা চালাত। করোনার প্রভাবে অধুনা তাও বন্ধ। অভাব আর অনটন তাদের সর্বক্ষণ পিছু নিলেও তাকিয়ে দেখেনি তা কউে। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি কেউ। হাজেরা বলেন, স্বামী মারা যাবার পরের বছর বাবা মারা গেলে ভীষণ দুঃখ-কষ্ট নিয়ে চলতে থাকি। পরে ছোট্ট একটি কাজের সন্ধান পাই ওয়াইজনগর-আলিনগরে মাদ্রাসায়(রান্নার কাজ)। স্বামীর বাড়ি ধল্লা ইউনিয়নের ভোটার বিধায় এখানে কেউ সহযোগীতা করছেননা। একইভাবে তার মা বছিরন বেগম বলেন, আমারএত বয়স হওয়া সত্বেও এখনো বিধবা-বয়স্ক কোন ভাতা পাইনা। আর কত বছর অইলে ভাতা পামু। আমরা খুব কষ্টে আছি।

স্থানীয় চান্দহর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আ’লীগ নেতা সেলিমআব্বাস বলেন, আমি সড়ক দূর্ঘটনায় অসুস্থ, আমার বাড়ি আসলে ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য করব। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে চান্দহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বাদলের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি নিজেকে অসুস্থ দাবি করে বলেন, ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সোনামিয়া গতকাল সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু বরণ করাতে মানসিকভাবে অনেকটা বিপযর্স্থ আছি, ্এখন কথা বলতে পারবোনা। সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনা লায়লা বলেন, ঐ নারী (হাজেরা) কে আমার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন, অবশ্যই তাকে আমরা সাহায্য করব।

মিজানুর রহমান সরদার
সিংগাইর, মানিকগঞ্জ

তড়িঘড়ি করে রাতেই জিম্বাবুয়েতে পাঠানো হচ্ছে এবাদত-নাঈমকে

টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডে, জিম্বাবুয়ে সফরে খুব একটা সাফল্য পাচ্ছে না বাংলাদেশ দল। গতকাল শুক্রবার প্রথম ওয়ানডেতে বাজেভাবে হেরেছে লাল-সবুজের দল।...

Read more

সর্বশেষ

ADVERTISEMENT

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক : মাে:শফিকুল ইসলাম
সহ-সম্পাদক : এডভােকেট-মাে: আবু জাফর সিকদার

কার্যালয় : হোল্ডিং নং ২৮৪, ভাদাইল, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা-১৩৪৯

যোগাযোগ: +৮৮০ ১৯১ ১৬৩ ০৮১০
ই-মেইল : [email protected]

দৈনিক আমাদের খবর বাংলাদেশের একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে দৈনিক আমাদের খবর, অনলাইন নিউজ পোর্টালটি সব ধরনের খবর প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রচারিত অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলির মধ্যে এটি একটি।

ADVERTISEMENT
x