সর্বশেষ

রৌমারীতে তালাক প্রাপ্ত হয়েও দফায় দফায় বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেন পেয়ারা খাতুন

রৌমারীতে অর্থ লোভী তালাক প্রাপ্ত ১ম স্ত্রী পেয়ারা খাতুন মৃতু স্বামীর অর্থের লোভে বিভিন্ন দপ্তরে দফায় দফায় আবেদন করে দ্বীতিয় স্ত্রী সাজেদা খাতুনকে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিগত প্রায় ৩৪ বছর পুর্বে পেয়ারার সাথে মজনু বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পেয়ারার বিবাহের ৩ বছরের মধ্যে মজনুর মিয়ার সাথে ১৯৯২ সালের ৪ অক্টোবর পেয়ারার খোলা তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। মজনুর সাথে পেয়ারার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটার পর পেয়ারা ১০ মাসের সন্তান মুক্তাকে নিয়ে ঢাকায় পাড়ি জমায়। পেয়ারা দীর্ঘ প্রায় ৩২ বছর ঢাকায় বিভিন্ন গামেন্টস ফ্যাক্টরীতে চাকুরী করে দিনাতিপাত করেন।

বেগম রোকেয়াকে ‘মুরতাদ’ ও ‘কাফির’ আখ্যা দিয়ে রাবি শিক্ষকের পোস্ট

দীর্ঘ ৩২ বছরে মজনু মিয়া জীবিত থাকা কালীণ পেয়ারা খাতুন কোনদিন মজনুর নিকট কোন প্রকার স্বামীর অধিকার বা কোন বিচার দায়ের করেননি। যেহেতু খোলা তালাকের মাধ্যমে কাজির ঘরে সাক্ষিগণের উপস্থিতিতে ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক মজনু মিয়া তালাক প্রদান করেন। সেহেতু পেয়ারা খাতুন পরবর্তিতে কোনদিনও কোথাও স¦ামীর অধিকার নিয়ে বিচার দায়ের করেননি। এদিকে মজনু মিয়া গত –১২ অক্টোবর ২০২৩ সালে মজনু মিয়া মৃত্যু বরণ করলে মজনুর তালাক প্রাপ্ত ১ম স্ত্রী পেয়ারা খাতুন স্বামীর অধিকার নিয়ে বাধ সেজে বসে। পেয়ারা খাতুন মজনুর দেওয়া তালাক অস্বীকার করে মজনু মিয়ার পেনশনের টাকার অংশীদার হতে নানা কুটকৌশর অবলম্বন করে।

দফায় রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ও জেলা প্রশাসকের কার্যায়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এব্যাপারে মজনু মিয়ার ২য় স্ত্রী সাজেদা খাতুন বলেন, আমি মজনু মিয়ার ২য় স্ত্রী । আজ হতে ৩২ বছর আগে আমার সতীন পেয়ারা খাতুনকে আমার স্বামী মজনু মিয়া খোলা তালাক দেয়। পরবর্তিতে আমার স্বামী মজনু মিয়া আমার নামে ব্যাংকে ও ট্রেজারী অফিসে নমিনি হিসেবে আমার নাম অন্তভ‚ক্ত করেন। আমি আজ হতে দীর্ঘ ৩৪ বছর যাবৎ মজনু মিয়ার সংসার করিয়া স্বামীর অধিকার ভোগদখল করিয়া আসছি। অপরদিকে আমার সাবেক সতীন মজনু মিয়ার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী পেয়ারা খাতুন মজনু মিয়ার মৃত্যুর পর অবৈধ অন্যায়ভাবে আমার অধীকার, স্বমীর পেনশনের টাকা হস্তগত করার নিমিত্তে নানা ষড়যন্ত্র করে চলছে। আমি পেয়ারার মিথ্যা আবদারের তিব্রপ্রতিবাদ করছি।

ইসলাম সংসদে প্রতিষ্ঠা করতে হবে- গোলাম মসিহ

এনিয়ে রৌমারী সদর কাজি সাইফুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা য়ায় আজ থেকে ৩৩ বছর আগে ১৯৯২ সালে তৎকালীন সময় ৩ জন সাক্ষির উপস্থিতিতে কাজি অফিসে মজনু মিয়া ও পেয়ারা খাতুন উপস্থিত হয়ে খোলা তালাক প্রদান করেন্ । যার রেজিষ্টার সি বালাম নং ১/৯২,ক্রমিক নং-১৫/৯২,পাতা নং ৪৫, সন ৪/১০/৯২ ইং । এদিকে সাজেদা খাতুন ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করলে, আগামি ৩০ জানুয়ারী ২০২৫ ইং বাদী-বিবাদী উভয়কে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যলয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে যমুনার চরে অবৈধ বালু উত্তোলন ভাঙনে সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় এলাকাবাসী, মানববন্ধন

মসিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার বড়ধুল ইউনিয়নের চড়মহেষপুর, দেবকলা এবং পার্শ্ববর্তী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া, জাঙ্গালিয়া ও কলাবাগান চরে রাতের আঁধারে চলছে...

Read more

সর্বশেষ

ADVERTISEMENT

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত


সম্পাদক ও প্রকাশক : মাে:শফিকুল ইসলাম

কার্যালয় : ভাদাইল, ডিইপিজেড রোড, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা-১৩৪৯

যোগাযোগ: +৮৮০ ১৯১ ১৬৩ ০৮১০
ই-মেইল : dailyamaderkhobor2018@gmail.com

দৈনিক আমাদের খবর বাংলাদেশের একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে দৈনিক আমাদের খবর, অনলাইন নিউজ পোর্টালটি সব ধরনের খবর প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রচারিত অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলির মধ্যে এটি একটি।

ADVERTISEMENT