আশুলিয়া ইউপি মেম্বার রুহুল আমিন মন্ডলের বিরুদ্ধে মিথ্যা,ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করায় এলাকাবাসীর তীব্রনিন্দা

সাভার প্রতিনিধিঃ

আশুলিয়া ইউপি মেম্বার রুহুল আমিন মন্ডলের বিরুদ্ধে মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করায় এলাকাবাসীর তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ
আশুলিয়া ইউনিয়নের সুযোগ্য মেম্বার ও আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন মন্ডলের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করায় এলাকাবাসী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এক জনমত জরিপে জানা, যায় রুহুল আমিন মন্ডল চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার সাথে জড়িত নহে এবং
এলাকাবাসী তার কর্মকান্ডে আতঙ্কিত নয়। এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নারী শ্রমিকরাও তার কর্মকান্ডে সন্তুষ্ট। এই বৈস্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের সময়ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেছেন।একটি কুচক্রি মহল নৈপথ্য ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তী নষ্ট করার জন্য রুহুল আমিন মন্ডলের বিরুদ্ধে মিথ্যাভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে চলেছেন।

রুহুল আমিন মন্ডল আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী । তারা সংবাদে প্রকাশ করেছেন যে, ২০০৮ সালে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মোঃ হোসেন আলী বেপারী একটি মামলা দায়ের করেছিলেন সেই মামলায় রুহূল আমিন মন্ডলের পিতা নায়েব আলী মন্ডল ৩৫ শতাংশ জমির মধ্যে ২৮ শতাংশ জমি হোসেন আলী বেপারীকে বুঝিয়ে
দেয় বাকী ০৭ শতাংশ জমি বুঝাইয়া দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করিলে সিভিল কোর্টে নায়েব আলীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয় । পরবর্তীতে নায়েব আলী মন্ডলের নামে মামলাটির রায় হয় সেই রায়ের প্রপিপ্রেক্ষিতে হোসেন আলী বেপারী নায়েব আলী মন্ডলের ০৭ শতাংশ জমি ছেড়ে দেয় সেখানেই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
একটি সাক্ষাতকারে জানা যায় ২০০৯ সালে রুহুল আমিন মন্ডল সাহেবের আপন ছোট ভাই জাহিদুল ইসলাম পাশের গ্রামের আরাফাত সরকারের ভাগ্নি মোসাঃ শিলা আক্তার কে নিয়ে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ হইয়া পালিয়ে

যায় তার প্রেক্ষিতে শিলা আক্তারের মামা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি জিডি দায়ের করে। এর পর শিলাআক্তারকে জাহিদুল ইসলাম বিবাহ করে বাড়িতে নিয়ে আসলে দুই পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে উভয় পরিবার জাহিদুল ও শিলা আক্তারের বিবাহ মেনে নেয় এবং জিডি তুলে ফেলেন। সেই ঘরে জাহিদুল ইসলাম ও শিলা আক্তারের ০৭ বছরের একটি ছেলে রয়েছে সেখানে কোন নারী নির্যাতনের মামলা হয় নাই। কিন্তু একটি পত্রিকায়

সাভার প্রতিনিধি বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা ও বিভিন্ন কাজের অজুহাত দেখিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করে । জোড় পূর্বক চাঁদাদাবি করে। তারা জানায় যে, আপনার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে । এক জনমত জরিপে জানা যায়, মেম্বার রুহুল আমিন সাহেবের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই এমনকি মামলার একটি কাগজ ও দেখাতে  পারবেনা।

মোঃ রুহুল আমিন মন্ডল বলেন আমার বিরুদ্ধে কাজের কোন অনিয়ম ও কোন মামলার কাগজ পত্র দেখাতে পারবেনা যহেতু আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনের আশ্রয় নিব।

আইন প্রোয়োগকারী সংস্থার নিকট আমার বিনীত আরজ আমার বিরুদ্ধে যারা মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করেছে তাদের আইনের ্আওতায় আনা হোক।

এলাকাবাসী এই মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *