ঢাকায় অবস্থানকালে নওগাঁয় একটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক দাবি করেছে সাংবাদিক সিফাত মাহমুদ ফাহিমের পরিবার। একই সঙ্গে মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্যরা এসব দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ফাহিমের বাবা ওসমান আলী প্রামাণিক, মা শেখলী বেগম, ভাই ফিরোজ প্রামাণিক এবং খালাতো ভাই নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাজিম উদ্দিন মণ্ডলকে ঘিরে একটি ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক ফাহিমের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে। তাদের দাবি, গত ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ফাহিম ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় নওগাঁয় একটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে, যা তাদের মতে, বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, ফাহিমের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করলেই অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব। মামলার তদন্তপ্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা। পরিবারের দাবি, তদন্ত প্রতিবেদনে গ্রাম পুলিশ মো. আনোয়ার হোসেনের নাম উল্লেখ করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা হয়নি। এ-সংক্রান্ত একটি রেকর্ডিং তাদের কাছে রয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ ছাড়া মামলার দুই সাক্ষী মো. সবুজ হোসেন ও মো. শহিদুল ইসলাম হুলকুমনায়া ঘটনাটি সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে পরিবার দাবি করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সাংবাদিক ফাহিমের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
তবে মামলার অভিযোগ, তদন্তের অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষ ও তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে সংবাদটি আরও পূর্ণাঙ্গ হবে।
















