পুঁজিবাজার ১২ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকার মূলধন ফিরে পেয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:

সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার প্রবণতা অব্যাহত থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ১২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।ডিএসই’র সপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৮৪৩ কোটি ১১ লাখ ৮৮ হাজার ৪৯৭ টাকা। সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে তা বেড়ে ৪ লাখ ১০ হাজার ৫৩১ কোটি ৯ে১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৫১ টাকায় স্থিতি পেয়েছে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই’র বাজার মূলধন বেড়েছে ১২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৫৪ টাকা।

সমাপ্ত সপ্তাহে ( ২৩ থেকে ২৭ আগস্ট) ডিএসইতে ৪ হাজার ৯২৫ কোটি ৬৪ লাখ ৬৪ হাজার ১২৭ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইতে ২ হাজার ১৫১ কোটি ৫৪ লাখ ৪ হাজার ৬৭ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১২৮.৯৪ শতাংশ। কারণ, আগের সপ্তাহে ডিএসইতে মাত্র ৩ কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল। সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে ৫ কার্যদিবসেই পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৯৮৫ কোটি ১২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৭১৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে গড় লেনদেন বেড়েছে ৩৭.৩৬ শতাংশ।সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৪৯টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৬১টির, দর কমেছে ৭৯টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৭টি প্রতিষ্ঠানের। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর ৩১২টির দর বেড়েছিল। ওই সময় দর কমেছিল ২৯টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৬টি প্রতিষ্ঠানের।

সূচকের ইতিবাচক উত্থানে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই’র সার্বিক মূল্যসূচক বেড়েছে ২০৬.৮৩ পয়েন্ট। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই’র সার্বিক মূল্যসূচক ছিল ৫৫৯০.৪৭ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে তা ৫৭৯৭.৩০ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ। এসময় শরীয়াহ্ ভিত্তিক কোম্পানির মূল্য সূচক ৪৭.৩০ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ সূচক ৬৯.৭৫ পয়েন্ট বেড়েছে।

সপ্তাহ শেষে ডিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বিবিএস ক্যাবলস। এসময় কোম্পানিটির ১২৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসময় কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২.৬০ টাকা।টার্নওভার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল অলেম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ। কোম্পানিটির ১১০ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১০৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভার তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- বেক্সিমকো লিমিটেড, জেএমআই সিরিঞ্জ, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, একটিভ ফাইন কেমিক্যাল, সিঙ্গার বাংলাদেশ, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি ও ড্রাগন সুয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *