কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলায় দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়নের এক ব্যবসায়িককে যুবলীগ নেতা দাবি করে গ্রেফতার করার অভিযোগ উঠেছে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ আবুল কাশেম (৫০)। তিনি কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলার লোনা ভেরুনিয়া গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও হাজী মোঃ আবদুছ ছাত্তার প্রধানের ছেলে।
যানা যায়, কুমিল্লা চান্দিনা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রাসুলপুর বাজারের নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে মোঃ কাশেমকে আটক করেন।
আটককৃত মোঃ আবুল কশেমের বাবা হাজী ছাত্তার প্রধান সহ এলাকার, রফিক, কালাম, তৌহিদ, ছালেহা,আবঃ রউ,আশিষ বিশ্বাস, নাহিদ, মাহমুদুল হাসান, সোহাগ, মজিবুর রহমান সহ আরো অনেকে, দৈনিক সকালের সংবাদ’কে জানান, গত ৩ই জানুয়ারি কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই পুলিশ মোঃ আবুল কাশেম’কে আটক করেছে, এলাকাবাসীর দাবী আটককৃত
মোঃ আবুল কাশেম ২০১৬ সালে দোল্লাইনবাবপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডে বিপুল ভোটের মাধ্যমে (মেম্বার) নির্বাচিত করেন| নির্বাচিত হবার পর থেকে টানা ৫বছর এলাকা বাসির সুখেদুখে সব সময় পাশে ছিলেন,এলাকাবাসী আরো দাবি করেন আবুল কাশেম মেম্বার কোন রাজনীতির ছত্রছায়ায় ছিলেন না, জীবিকার তাগিদে লোনা বাজারে ডেইরি ফার্ম খোলেন, ছাত্তার প্রধান আরও বলেন, “কে বা কারা আমার ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে, যার কারণে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে গেছে।”
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আবুল কাশেম এলাকায় অবস্থান করলেও কোনো সহিংস ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার কথা তারা জানেন না। স্থানীয়দের মতে, আবুল কাশেম একটি ভালো পরিবারের ছেলে এবং ছোটখাটো ব্যবসা করেই সংসার চালাতেন।
অন্যদিকে, চান্দিনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই আলমগীর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে, রসুলপুর বাজার থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলার আসামি হিসেবে ১নং ওয়ার্ডের যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে মোঃ আবুল কাশেম’কে গ্রেফতার করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তির বিষয়ে তদন্ত করে সংশ্লিষ্টতা না থাকলে চার্জশিট থেকে নাম বাদ দেওয়া হবে













