স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফশিল এখনো ঘোষণা করা হয়নি, তবে তৃণমূল পর্যায়ে বইতে শুরু করেছে ভোটের হাওয়া। তবে এবারের প্রচারণায় এসেছে আমূল পরিবর্তন। চিরাচরিত মাইকিং আর কাগজের পোস্টারের চেয়েও প্রার্থীরা এখন বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইউটিউবে প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে।
নিউজফিড যখন নির্বাচনি ময়দান সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের নিউজফিড দখল করে রাখছেন বিভিন্ন পদের প্রার্থীরা। চেয়ারম্যান, মেম্বার বা কাউন্সিলার পদপ্রার্থীদের সমর্থকরা নিজস্ব পেজ ও গ্রুপে নিয়মিত নির্বাচনি আপডেট দিচ্ছেন। সেখানে ডিজিটাল পোস্টারের মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে অতীতের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যতের নানা প্রতিশ্রুতি। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স ডিজাইন, রঙিন ডিজিটাল ব্যানার এবং ভিডিও’র ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণ।
লড়াই এখন কমেন্ট সেকশনে মাঠের মিছিল-মিটিংয়ের চেয়েও বড়ো লড়াই এখন চলছে সোশ্যাল মিডিয়ার কমেন্ট সেকশনে। নিজ নিজ প্রার্থীর গুণগান গাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ভুলত্রুটি বা অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। অনেক সময় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ভার্চুয়াল বিতর্ক, এমনকি একে অপরকে ‘ট্রল’ করার প্রবণতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ভোটারদের প্রতিক্রিয়া সাধারণ ভোটারদের মতে, প্রচারণার এই আধুনিক রূপ তাদের জন্য বেশ সুবিধাজনক। ঘরে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে প্রার্থীদের যোগ্যতা, ব্যক্তিত্ব এবং তাদের পূর্বের কাজ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। তবে অনেকেই মনে করেন, অনলাইন প্রচারণায় যেন গুজব বা অপপ্রচার না ছড়ায়, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, তফশিল ঘোষণার আগেই ডিজিটাল প্রচারণার এই জোয়ার আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।













