ঢাকার আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল ও ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়ির ময়লা জমে চরম দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে এলাকাবাসী পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। একই সঙ্গে ময়লা অপসারণের নামে নতুন কৌশলে চাঁদাবাজির অভিযোগও উঠেছে।
গত ঈদুল ফিতরের প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকে সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ বাসাবাড়ির সামনে ময়লার স্তূপ জমে রয়েছে। নিয়মিত অপসারণ না হওয়ায় পচা ময়লা থেকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ এবং জন্ম নিচ্ছে সাদা পোকা, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কিছু এলাকায় আংশিকভাবে ময়লা অপসারণ শুরু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম এবং অনিয়মিত। ময়লা অপসারণকারী বাচ্চু মিয়া দাবি করেন, তিনি নিয়মিত ময়লা অপসারণ করে দূরে ফেলে আসেন। তার ভাষায়, “ময়লা অপসারণের সময় কিছুটা দুর্গন্ধ হওয়া স্বাভাবিক।
” তবে ভুক্তভোগীরা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানান, প্রায় ১০ বছর আগে সপ্তাহে অন্তত একদিন নিয়মিত ময়লা অপসারণ করা হতো। সে সময় টিনশেড বাসার প্রতি রুমে মাসিক ২০ টাকা এবং ফ্ল্যাট বাসার প্রতি রুমে ৩০ টাকা করে নেওয়া হতো। বর্তমানে সেই খরচ চারগুণ বাড়িয়ে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হলেও সেবা কমে গেছে।
তাদের অভিযোগ, এখন ১০ থেকে ১৫ দিন পর পর ময়লা সংগ্রহ করা হয়। এতে করে ময়লার স্তূপ জমে থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং এলাকাবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত নিয়মিত ময়লা অপসারণ নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।













