সর্বশেষ

পদ-পদবি নয়, দিনশেষে আমি জিয়াউর রহমানের একজন নগণ্য কর্মী: আবুল হাসেম বেপারী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অন্যতম শক্তিশালী ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। দীর্ঘ সময় ধরে রাজপথের লড়াই-সংগ্রাম, ত্যাগ আর তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে যারা তৃণমূল থেকে উঠে এসেছেন, তাদেরই একজন জনাব আবুল হাসেম বেপারী, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, ঢাকা জেলা।

বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও জনপদে আবুল হাসেম বেপারীর পক্ষে তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের যে স্বতঃস্ফূর্ত প্রচারণা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনীতিতে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জনগণের সাথে গভীর সেতুবন্ধনই তাকে আজ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।

আজ আমরা মুখোমুখি হয়েছি এই জননন্দিত নেতার। তাঁর আগামীর পরিকল্পনা, দলের প্রতি আনুগত্য এবং উপজেলা নির্বাচন নিয়ে তাঁর ভাবনার আদ্যোপান্ত জানতে আমাদের এই বিশেষ আয়োজন।

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। আমি প্রথমে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করি আমার সৃষ্টিবকর্তার প্রতি। রাব্বুল আলামিনের প্রতি আমি সুস্থ আছি এবং আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়ে দুটি কথা বলার জন্য আমি সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর প্রতি আমি রহমত কামনা করছি এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি আজকে দলের সঠিক মূল্যায়নে এবং শেষদিন পর্যন্ত দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হয়ে শেষদিন পর্যন্ত দলের নেতাকর্মীদের সাথে একসাথে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে আমি নেতাকর্মীদের মাঝে ছিলাম এবং একদিনের জন্য, এক মিনিটের জন্য নেতাকর্মীদের ছেড়ে আমি আমার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হইনি।

রূপগঞ্জে ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পিতা-মাতার মামলা \ প্রতিবাদে পিতার-মাতার মানববন্ধন

তাই শুধুমাত্র নেতাকর্মী নয়, সাধারণ জনগণও আমাকে দীর্ঘ ১৭ বছর দেখেছে যে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের সেই দূরে থেকে যে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের দলের চেয়ারম্যান যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন—সেই তার আদর্শ, তার নেতৃত্বকে ধারণ করে সেই নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠে ছিলাম বিধায় আজকে মিডিয়া কর্মী, সাধারণ জনগণ এবং আমাদের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে তাদের সেই আবেগ থেকে স্বীকার করতেছে যে তাদের একজন আমি সঙ্গী এবং সহযোদ্ধা।

নেতাকর্মীদের আবেগ, তেমনি আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার নাগরিক দায়বদ্ধতা থেকে আমি মনে করি যে আমরা যারা তরুণ প্রজন্মে দেশকে নিয়ে, দেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছি, গণতন্ত্রের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছি, তেমনিভাবে দেশ সেবার জন্য আমি যদি বাকি জীবনটা—আজকে আমার ৫২ বছর বয়সে এখানে কথা বলতেছি—আমি যদি আমার বাকি জীবনটা এই দেশের নাগরিকের পক্ষে, জনগণের পক্ষে এবং সেই নেতাকর্মীদের আবেগ-ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আমি একজন নাগরিক হিসেবে আমার দায়বদ্ধতা থেকে আমি চিন্তা করতেছি যে একটি দেশের, একটি এলাকার যদি সেবা করতে পারি, সেই লক্ষ্যে আমি নিজেকে সেই প্রার্থী হিসেবে বা এই সেবক হিসেবে আমি চিন্তা করতেছি।”

যেমনি ১৭ বছর নিজেকে ধৈর্যশীল একজন ব্যক্তি হিসেবে মাঠে ছিলাম, তেমনি যদি আমাকে রাব্বুল আলামিন যদি মনে করেন এবং জনগণ যদি চায় যে আমাকে এই চেয়ারে বসাবে তাদের সমর্থন দিয়ে—যেভাবে ধৈর্যশীলভাবে আমি সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলনে নিয়োজিত ছিলাম, তেমনিভাবে এই দোহারের জনগণের জন্য ধৈর্যকে ধারণ করে এবং এই এলাকার যত রকমের লোকাল গভর্মেন্টের যে অবকাঠামো, সেই অবকাঠামোতে যদি আমি সেই উন্নয়নে নিজেকে শরিক করতে পারি, সেই আশা নিয়ে আমি ব্যক্ত করতেছি।
দেখুন, সরকার যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সেটি খারাপ কিছু নয়। আমি এতে নেতিবাচক কিছু দেখি না। কারণ আমি, আবুল হাশেম, এই এলাকায় গত ৫০-৫২ বছর ধরে বসবাস করছি এবং এখানেই আমার জন্ম। মানুষ ইতিমধ্যে আমাকে এবং আমার আচরণ সম্পর্কে জানে। আমি যদি মানুষের কাছে গিয়ে বলি যে আমি, আবুল হাশেম, আপনাদের সেবা করতে এসেছি—এই মানসিকতা রাখলে আমি মনে করি দলীয় প্রতীক থাকা না থাকায় কিছু যায় আসে না। আসল বিষয় হলো আমার অতীত সামাজিক আচরণ কেমন ছিল। সেটি বিবেচনা করলে আমি বিশ্বাস করি যে আমি মানুষের সেবা করতে পারব এবং সমাজে নতুন পরিবর্তন আনতে পারব। সেই হিসেবে, দলীয় প্রতীকের চেয়ে আমার ব্যক্তিগত আচরণ ও জীবন ইতিহাস মানুষের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি বিশ্বাস করি আমি তাদের ভালোবাসা পাব।

এটি আমাদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। আমাদের ঢাকা-১ আসনের প্রতিনিধি, মাননীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক এবং আমাদের জননেতা তারেক রহমানও বিষয়টি উপলব্ধি করেছেন। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে কিছু লোক নিজেদের সরকারি দলের লোক পরিচয় দিয়ে নানা সামাজিক অপকর্মে লিপ্ত ছিল। তারা এখন ব্যক্তিগত লাভের জন্য আবারও সরকারি দলে যোগ দেওয়ার সুযোগ খুঁজছে। আমরা এ বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। যেহেতু আমি ১৭ বছর ধরে রাজনীতি করছি, তাই কোন নিবেদিতপ্রাণ নেতা কী ত্যাগ স্বীকার করেছেন সে সম্পর্কে আমার অনেক অভিজ্ঞতা আছে। আমি যদি দলের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাই, তবে যারা সরকারি দলে যোগ দিয়ে সুবিধা নিতে চায় বা সামাজিক অবক্ষয় ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, তাদের ওপর কড়া নজর রাখব। যারা বিভিন্ন সময়ে সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে, আমি সবসময় তাদের পাশে থাকব। আমআমার ছয় নম্বর প্রশ্ন, আপনার এলাকার প্রধান সমস্যাগুলি কী যা আপনি চিহ্নিত করেছেন?

দৌলতপুরে যমুনায় ফের অবৈধ বালু উত্তোলন: ,প্রশাসনের নীরবতায় জনমনে ক্ষোভ

স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের এলাকার মূল সমস্যাগুলো হলো স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, বেকারত্ব দূর করা এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ। এছাড়াও আমি মনে করি নতুন সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা। আমাদের উপজেলায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং কিছু কমিউনিটি ক্লিনিক আছে। সেখানে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদের ভূমিকা তদারকি করাও আমার লক্ষ্য। বেকার সমস্যা সমাধান এবং স্থানীয় রাস্তাঘাটের উন্নয়নসহ সামাজিক উন্নয়ন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আমার প্রধান উদ্দেশ্য। এই বিষয়গুলো ঠিক করতে পারলে আমরা সমাজ ব্যবস্থায় আধুনিকতা আনতে পারব। আমরা এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন এবং সক্রিয় আছি।

আমরা তো প্রতিকূল অবস্থায় থেকে অভ্যস্ত। আমাদের সেই মনোবল নিয়ে একটি ফ্যাসিস্ট সরকারকে যখন এ দেশে যখন ২০৪০ ভিশন প্রকাশ করে, একটি হাস্যকর বার্তা দেয় বিগত সরকার, ওই সময়ে আমরা আমাদের সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছি। আমরা মনে করতেছিলাম, আমরা জনগণকে বলেছিলাম, এই রাজপথ থেকে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন করে আমরা ঘরে ফিরবো। তাই আমাদের জীবনটাই একটা আমাদের মতন একটা জীবনে যদি ১৮ বছর প্রতিকূল অবস্থায় আমরা যুদ্ধ করতে থাকি, সেই মনোবল সাহস সেখান থেকেই আমাদের সেখান থেকে উপলব্ধি করেছি যে, আমাদের ধৈর্য্য, সাহস এবং অভিজ্ঞতা সেখান থেকে আমাদের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা মনোবল ভেঙ্গে দেওয়ার আর কিছু নেই। এই দেশসেবার লক্ষ্যে যেহেতু আমরা রাজপথে নিজেরা কাফনের কাপড় বেঁধে পর্যন্ত আমরা নেমেছি, আমাদেরকে যখন ডিবি অফিসে নিয়ে ফায়ার করে মেরে ফেলতে চেয়েছে, দিনের পর দিন জেল খেটেছি, তখনই আমাদের মনোবল শক্ত হয়েছে। মনোবল এখন আর এগুলো মনোবল ভাঙ্গার কিছু নেই। আমরা এখন মনে করি সাহসিকতার সাথে একটি দেশ-দেশকে আধুনিকতায় আনার কারণে যত রকমের আন্দোলন আছে, সাহসিকতা ধৈর্য্য আছে, আমরা ইনশাল্লাহ এ দেশে করবো।
আমাদের ধৈর্য্যের সাথে জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে। সারা বাংলাদেশে যে অভূতপূর্ব বিজয় বিএনপির হয়েছে সেটা আমাদের জিয়াউর রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ফলো করে জনগণ ভোট দিয়েছে। পরবর্তীতে আমাদের তারেক রহমানের যে সমস্ত ৩১ দফা ছিল, সে ৩১ দফাকে যখন আমরা প্রচার করেছি সেটা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে। আমরা যারা আজকে যারা বিএনপির রাজনীতিতে নিজেকে যে সমস্ত জনগণ মনে করে যে আমি বিএনপির আদর্শে আদর্শিত হয়ে আছি, আমি তাদের প্রতি বার্তা দিতে চাই তোমাদের ধৈর্য্য ধরতে হবে, অসামাজিক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে, জনগণের পাশে থাকতে হবে, জনগণের যে চাহিদা সে জনগণের চাহিদা আমাদের ফলো করতে হবে। জনগণ নিয়েই আমরা। আমাদের কাছ থেকে যদি কোন কারণে জনগণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তাহলে আমি আবুল হাশেম বেপারী জিরো। অতএব সারাক্ষণ আমাদের চিন্তা করতে হবে জনগণ কী চায়। সেখানে আমি বার্তাটা হলো আমরা নেতাকর্মীরা যাতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সমাজের কোনো অপক্ষয় না করি। আমরা সার্বক্ষণিক জানি মনে করি আমরা সবাই ব্যক্তি। দলের কোনো পজিশন ভেঙে যদি চলে আমরা দলীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নিবো। এখানে সমস্ত জনগণ আমরা এক কাতারে থেকে এই দেশ পরিচালনা করবো। তাই আমি সর্বশেষ আমার বার্তা হলো আমাদের ধৈর্য্যের সাথে আমাদের দলীয় আদর্শের সাথে আমাদের ফলো করতে হবে এবং জনগণের চাহিদা মোতাবেক আমাদের থাকতে হবে।

অন্য প্রার্থীরা কোথায় কীভাবে আছে হয়তো ওইভাবে খুব একটা আমাদের ই নাই। আমি হয়তো দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর জনগণের সাথে নেতাকর্মীদের সাথে ছিলাম এবং জনগণের সাথে এক মিনিটের জন্য তাদেরকে রাজপথে ছেড়ে আমি পালিয়ে যাইনি। যখন যেভাবে আমাকে সাধারণ নেতাকর্মীরা জনগণ আমাকে মনে করছে যে হাশেমকে পাওয়া দরকার আমি আবুল হাশেম উপস্থিত ছিলাম। এখন যারা একটা নির্বাচন হলেই তো বসন্তের কোকিল বলে যে শব্দটা আছে তারা অনেক প্রার্থী আসবে, দেখলেন একটা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কত প্রার্থী আসলো আবার চলে গেল। কিন্তু আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আব্বাস পাক, উনি সুখে দুঃখে মানুষের ছিল। আমরা সেই ২০২০-২১ এর করোনার মধ্যে আমরা জনগণের পাশে ছিলাম, শীতবস্ত্র নিয়ে পাশে ছিলাম। আমরা রমজান মাসে সেই ইফতার নিয়ে আমাদের দোস্তদের মাঝে ছিলাম। বিভিন্ন সময়ে বন্যা যত রকমের আপদকালীন সময় ছিল আমরা জনগণের পাশে ছিলাম। তাই আমরা রাজনীতি করছি জনগণের জন্য। আমরা এক দিনের জন্য হলেও বিচ্যুত হইনি। তাই একটা নির্বাচন হলে অনেক রকমের মানুষ নানা ভাবে আসবে তারা জনগণকে বলবে।
আমি জিয়ার আদর্শের একজন নগণ্য কর্মী। বিএনপির একজন নগণ্য কর্মী। সেই পরিচয় দিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের বিএনপি—এটা আমি পরিচয় দিতে অবশ্যই ভালোবাসি। কিন্তু আমি ব্যক্তি আবুল হাশেম একজন সাধারণ জনগণ। আমি একজন সাধারণ ব্যক্তি সবার মতো—এটা আমি পরিচয় দিতে খুব আমার ভালো লাগে। এবং আমি একজন বিএনপি কর্মী। আমি দিন শেষে একজন বিএনপির কর্মী, যেখানেই যাই এটা আমার পরিচয় দিতে নিজেকে প্রাউড ফিল মনে করি এবং আমি একজন সাধারণ মানুষ।

বেটার বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

সব ধর্মের মানুষকে সমান দৃষ্টিতে দেখার নীতি অনুসরণ করছে সরকার—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে...

Read more

সর্বশেষ

ADVERTISEMENT

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত


সম্পাদক ও প্রকাশক : মাে:শফিকুল ইসলাম

কার্যালয় : ভাদাইল, ডিইপিজেড রোড, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা-১৩৪৯

যোগাযোগ: +৮৮০ ১৯১ ১৬৩ ০৮১০
ই-মেইল : dailyamaderkhobor2018@gmail.com

দৈনিক আমাদের খবর বাংলাদেশের একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে দৈনিক আমাদের খবর, অনলাইন নিউজ পোর্টালটি সব ধরনের খবর প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রচারিত অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলির মধ্যে এটি একটি।

ADVERTISEMENT