সাভার উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যে ঘেরা এক জনপদ ‘বিরুলিয়া ইউনিয়ন’। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গোলাপ চাষের জন্য বিখ্যাত এই ইউনিয়নটির সাধারণ মানুষের কাছে এক অবিনাশী নাম প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল। সাভার থানা বিএনপির সভাপতি ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান আলাল ছিলেন এলাকার গণমানুষের নেতা ও শোষিত-বঞ্চিতের আস্থার প্রতীক। স্থানীয় প্রবীণ ও তরুণদের মতে, আগামী ৫০ বছরেও বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে আলালের মতো মানবিক, দূরদর্শী ও দরদী চেয়ারম্যান আসবে কি না—তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
মাহমুদুল হাসান আলাল কেবল একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন বিরুলিয়ার তৃণমূলের ‘গরিবের বন্ধু’। তাঁর চেয়ারম্যান থাকাকালীন বিরুলিয়া ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার এবং প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ ও আধুনিক সুবিধার আলো পৌঁছানোর কাজে অভাবনীয় সাফল্য আসে। হিংসা-বিদ্বেষের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং বিপদ-আপদে দিন-রাত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ছিল তাঁর মূল পরিচিতি। আজও বিরুলিয়ার প্রতিটি ঘরে ঘরে তাঁর সততা, উদারতা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার গল্প পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়।
প্রয়াত নেতা মাহমুদুল হাসান আলালের অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণ এবং বিরুলিয়াকে একটি মডেল ও আধুনিক ইউনিয়নে রূপান্তর করতে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে সামনে এসেছেন আলাল পরিবারেরই সদস্য, তাঁর ছোট ভাই আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন।
মাহমুদুল হাসান আলালের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং পরিবারটির দীর্ঘদিনের জনকল্যাণমূলক ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।
এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দাবি, মাহমুদুল হাসান আলাল যে ত্যাগ ও ভালোবাসায় বিরুলিয়াকে আগলে রেখেছিলেন, তাঁর সেই আদর্শ ও যোগ্যতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আনোয়ার হোসেনই সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি।
উপস্থিত স্থানীয় জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আলাল পরিবারের রক্তের সাথে জনসেবা জড়িয়ে আছে। আনোয়ার হোসেন তাঁর ভাইয়ের উন্নয়নমূলক চিন্তাধারা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা নিয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছেন।
আগামী দিনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন তাঁর অভিমত ব্যক্ত করে বলেন:”আমার ভাই প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল বিরুলিয়ার মানুষকে নিজের পরিবারের মতো ভালোবাসতেন। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর দেখানো পথ ও স্বপ্নগুলো আমাদের কাছে আমানত। আমার মূল লক্ষ্য—আমার ভাইয়ের স্মৃতি ও আদর্শ ধারণ করে বিরুলিয়াকে একটি আধুনিক,মাদক মুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও মানবিক ইউনিয়নে পরিণত করা। বিরুলিয়ার সর্বস্তরের মানুষের সেবা করাই আমার রাজনৈতিক জীবন ও পরিবারের একমাত্র অঙ্গীকার।”
বিরুলিয়ার রাজনৈতিক সচেতন মহল মনে করছেন, মাহমুদুল হাসান আলালের স্মৃতির প্রতি সম্মান এবং এলাকার ধারাবাহিক উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে আনোয়ার হোসেনের প্রার্থিতা সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও আশার আলো সঞ্চার করেছে।















