পাবনা সদর উপজেলার জালালপুর বাজার সংলগ্ন গয়েশপুর সড়কে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সেলফোন টাওয়ারের সামনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— পাবনা সদর উপজেলার জালালপুর গ্রামের মোজাফফর হোসেনের ছেলে ও স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন (৪০), এবং পার্শ্ববর্তী শালাইপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে নয়ন (২৫) ও আমিনুদ্দিন মৃধার ছেলে সিয়াম (২০)।
সন্ধ্যায় জালালপুর বাজার সংলগ্ন গয়েশপুর সড়কে দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, উভয় মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল দুটিও সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
পাবনা অঞ্চলের সড়কগুলোতে এই ধরণের দুর্ঘটনা রোধে স্থানীয় সচেতন মহলের মাঝে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সড়কে প্রাণহানি কমাতে কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। দুর্ঘটনাপ্রবণ ও বাজার সংলগ্ন সড়কগুলোতে পর্যাপ্ত গতিরোধক (স্পিডব্রেকার) এবং দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড স্থাপন করা দরকার। সচেতনতা বৃদ্ধি: চালকদের মধ্যে হেলমেট পরিধানের অভ্যাস এবং নির্দিষ্ট গতিসীমা মেনে চলার মানসিকতা তৈরি করতে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণদের বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো রোধে অভিভাবক ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকা বাঞ্ছনীয়।
এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে চালক, পথচারী এবং প্রশাসন—সকলের সম্মিলিত সচেতনতাই পারে মূল্যবান প্রাণহানি রোধ করতে।
















