পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পদ্মা হাসপাতাল এলাকায় অবস্থিত একটি মহিলা মাদ্রাসায় এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার ওই শিক্ষার্থীর সাথে ঘটে যাওয়া ন্যক্কারজনক ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত মাদ্রাসা চত্বরে জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ শিক্ষককে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যায়।
বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারের দাবিতে স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা সোচ্চার হয়েছেন। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদ্রাসা ও এর আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে হেফাজতে নিয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও অভিভাবকরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।















