আশুলিয়ায় ব্যবসায়ী হাবিবের বিরুদ্ধে সোস্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার থানায় জিডি

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ

সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার আওতাধীন টাট্রিবাড়ী,সোসাইটি এলাকায় স্থায়ীভাবে সুনামের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাসরত হাবিবুর রহমান অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে বেশকিছু দিন যাবৎ সোস্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে ও পত্র-পত্রিকায় মিথ্যা অপ-প্রচারে লিপ্ত রয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সামিউল আলম শামীম ও তার সহযোগিরা।

অভিযোগের বিষয়ে ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান বলেনঃ আমি দীর্ঘদিন যাবৎ অত্র এলাকায় সুনামের সহিত বসবাস করে আসিতেছি কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো আমার পূর্ব পরিচিত কুরগাঁও নতুন পাড়ায় বসবাসরত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সামিউল আলম শামীম ও তার সহযোগিরা বিভিন্ন বিষয়ে আমার সাথে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে দীর্ঘদিন যাবৎ আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের সাথে বিভিন্ন ধরনের খারাপ আচরণ হয়রানীমূলক কর্মকাণ্ড ও সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এতেকরে আমার সামাজিকভাবে সন্মানহানী ও ক্ষতি সাধন হয় এবং এব্যপারে শামীমকে বারবার অনুরোধ করা হলেও বিষয়টি কোন ধরনের পাত্তা না দিয়ে তাদের এহেন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়।

হাবিবুর রহমান আরো বলেনঃ এছাড়া আমাকে দীর্ঘদিন যাবৎ হয়রানী ও আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিষয়ে এলাকার গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে মিমাংসার ও অনুরোধ করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে নিরুপায় হয়ে আমার ভবিষ্যতে জানমাল ক্ষতির কথা চিন্তা করে আশুলিয়া থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি করতে বাধ্য হই। তবুও আমাকে ভয়ভীতি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকী দিয়ে আসছে। এবং আমাকে ব্যবসায়ী ক্ষতিসহ হামলা ও মিথ্যা মামলার সাথে জড়িয়ে আমাকে ও আমার ভাগিনা সরোয়ার হোসেন সরুকে প্রতিনিয়ত হয়রানী করার উদ্যোশে উঠে পরে লেগেছে। শামীম এলাকার কিছু অর্থলোভী লোক দিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা করে আমাকে অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে ক্ষতির সন্মূখীণ করছেন। আমি এবং আমার পরিবার আইন ও প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন উপরোক্ত বিষয়গুলোর তদন্ত অনুযায়ী যথাযথ প্রতিকার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সামিউল আলম শামীমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এব্যপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরির্দশক মো.সেলিম রেজার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেনঃ তদন্ত অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *