বরগুনায় সামারি ট্রায়াল কোর্ট পরিচালনা করে ভুয়া ডাক্তার ও অতিরিক্ত ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে চারজনকে সাজা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. শরিয়াত উল্লাহ–এর নেতৃত্বে শের-ই-বাংলা ফার্মেসী সড়কে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় ঘটনাস্থলেই সামারি ট্রায়াল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
বরগুনার সিভিল সার্জন এর প্রতিনিধি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান আটককৃতদের সার্টিফিকেট পর্যালোচনা করেন এবং বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. শরিয়াত উল্লাহ এর আদালতে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ এর ২২ ধারায় তাৎক্ষনিক মামলা দায়ের করেন। আদালত দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তিনজনকে এক লক্ষ টাকা করে মোট তিন লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। অপর আসামির বিরুদ্ধে আদালত সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ এর ২২ ধারায় এক বছর ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বিধান রঞ্জন সরকা, দীলিপ কুমার দাস, এসকে লস্করক ও জহিরুল ইসলাম সৌরভ। এদের মধ্যে জহিরুল ইসলাম সৌরভকে দেড় বছরের কারাদণ্ড এবং এসকে লস্করকে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
অভিযানে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. শরিয়াত উল্লাহ এর নেতৃত্বে সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সজল, বরগুনা জেলা গোয়েন্দা শাখা ও থানা পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৮ জুন একই ধরনের অভিযোগে ৭ জন ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছিল। ওই অভিযানের তালিকায় জহিরুল ইসলাম সৌরভ ও বিধান রঞ্জন সরকারও ছিলেন। তখন তারা ডাক্তারি না করার মুচলেকা দিয়েছিলেন।
অভিযান প্রসঙ্গে আদালতসূত্রে জানা যায়, “ভুয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”













