সর্বশেষ

আশুলিয়ায় চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের রীতিমতো ‘যুদ্ধ ঘোষণায়’ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও কাউন্টারগুলোতে ফিরিয়ে এনেছে স্বাভাবিক গতি, যা সাধারণ ব্যবসায়ী ও কাউন্টার মালিকদের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি এনে দিয়েছে।

আশুলিয়ার বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর কবিরের একটি মাইকিং এতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। পুলিশের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

আশুলিয়ার বাইপাইল বাস স্ট্যান্ডকে বলা হয় রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার। দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় চাঁদাবাজ চক্রের হাতে জিম্মি ছিল বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড। বাসস্ট্যান্ড ঘিরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে পরিবহন কাউন্টার, খাবার হোটেল, ক্ষুদ্র দোকানপাট এবং হকারদের কাছ থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করে আসছিলো এই চক্রটি। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই নেমে আসতো হামলা, ভাঙচুর ও শারীরিক লাঞ্ছনার মতো ঘটনা। এমনকি চাঁদা আদায়ের ক্ষমতা নিয়ে বিভিন্ন চক্রের মধ্যে নিজেদের মধ্যেই হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনাও ঘটেছে। যা বাইপাইল এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছিল। এসব ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করেছে। যা সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের ভীতির সঞ্চার করেছিল।

বাউফলে দেড়শো টাকার দ্বন্দ্ব ও পরিদর্শকসহ সামগ্রিক ব্যয় মেটাতে না পারায় পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিল

ব্যবসায়ীরা জানান, পুলিশ প্রশাসন চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করা হচ্ছে এবং চাঁদাবাজদের কোনো রকম চাঁদা না দিতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ এই অবস্থান ধরে রাখতে পারলে ব্যবসার স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে পাবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাউন্টার মালিকরা জানান, “চাঁদাবাজির কারণে আমাদের ব্যবসা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। প্রতিদিন চাঁদা দিয়ে আমাদের লাভ তো দূরে থাক, উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছিল। প্রতিবাদ করলেই হামলার শিকার হতে হতো। আমরা একরকম অসহায় হয়ে পড়েছিলাম।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, “প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিতে হতো। না দিলে দোকানের সামনে এসে হুমকি-ধামকি দিতো, এমনকি দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিতো। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো ফল পাইনি। তবে পুলিশ নিজে এসে চাঁদা আদায় বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় আশা করছি ভাল কিছু হবে।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সফিকুল ইসলাম সুমন জানান, “চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। বাইপাইল বাস স্ট্যান্ড এলাকার চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবসায়ীরা যাতে নির্ভয়ে ব্যবসা করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

রৌমারীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালন

ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবীর বলছেন, আমরা আপনাদের (ব্যবসায়ী) সর্বোচ্চ সহযোগীতা করবো। কেউ যদি চাঁদাবাজি করতে আসে তাহলেও আমরা সর্বোচ্চ আইন ব্যবহার করবো। আমরা ৫ই আগস্টের আগের পুলিশ না। আমরা ৫ই আগস্টের পরের পুলিশ। আমরা মানুষকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে চাই। সে জন্য যা করতে হবে করবো। তবু মানুষকে স্বস্তি দিবো। তাই আমরা অবৈধ কোন কর্মকান্ড হতে দিবো না। আমাদের কথা একটাই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ফরিদপুর-গোয়ালন্দে ফের সক্রিয় অবৈধ বালু উত্তোলন চক্র:হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার অভিযোগ

ফরিদপুর ও রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ এলাকায় পুনরায় সংঘবদ্ধভাবে অবৈধ বালু উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আলম শেখ ও তার...

Read more

সর্বশেষ

ADVERTISEMENT

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত


সম্পাদক ও প্রকাশক : মাে:শফিকুল ইসলাম

কার্যালয় : ভাদাইল, ডিইপিজেড রোড, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা-১৩৪৯

যোগাযোগ: +৮৮০ ১৯১ ১৬৩ ০৮১০
ই-মেইল : dailyamaderkhobor2018@gmail.com

দৈনিক আমাদের খবর বাংলাদেশের একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে দৈনিক আমাদের খবর, অনলাইন নিউজ পোর্টালটি সব ধরনের খবর প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রচারিত অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলির মধ্যে এটি একটি।

ADVERTISEMENT