মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারি, বাঘুটিয়া বাজার,পারুলিয়া বাজার ও জাফরগঞ্জ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনুমোদিত বালুমহলের বাইরে শক্তিশালী ড্রেজিং মেশিন বসিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু তুলছে একটি প্রভাবশালী মহল। এর ফলে দ্রুত বেড়েছে নদী ভাঙন, হুমকির মুখে পড়েছে বাড়িঘর, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো।

ইজারার সীমানা ছাড়িয়ে ড্রেজিং সরেজমিনে জানা যায়, ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান প্রিন্স মালিকানাধীন মেসার্স প্রিন্স কনস্ট্রাকশন রাহাতপুর বালুমহলের ইজারা নিলেও বাঘুটিয়া ও পারুলিয়া অঞ্চলে—যা মূল ইজারা স্থান থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে—হাই-পাওয়ার সেকশন কাটার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এই অনিয়ন্ত্রিত ড্রেজিং-ই দৌলতপুরের বিভিন্ন গ্রামে ভাঙন পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলেছে।
মানববন্ধন চলাকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা নিজেদের ভিটেমাটি রক্ষার দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন করলে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, মানববন্ধনে সংবাদ সংগ্রহে আসা সাংবাদিক মো. সুলেমান হোসেন ও আসাদুজ্জামান আসাদসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালানো হয় এবং ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়। আহত সাংবাদিকরা জানান, হামলাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, যার উদ্দেশ্য ঘটনাস্থলের তথ্য গোপন রাখা এবং আতঙ্ক সৃষ্টি।
অভিযুক্তদের ‘সশস্ত্র গ্রুপ’ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ অঞ্চল জুড়ে কথিত ৭০–৮০ সদস্যের একটি সশস্ত্র গ্রুপ প্রকাশ্যে দাপট দেখাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, এই গ্রুপ বালু উত্তোলন এলাকা পাহারা দেয়, প্রতিবাদকারীদের ভয় দেখায় এবং বাইরের কেউ—বিশেষ করে সাংবাদিক—প্রবেশ করতে চাইলে বাধা দেয়।
তদন্তে দেখা গেল—কঠোর নিয়ন্ত্রণে ড্রেজিং এলাকা পরিদর্শনে দেখা যায়, চরকাটারি, পারুলিয়া ও বাঘুটিয়া এলাকায় আধুনিক সেন্সরযুক্ত একাধিক ড্রেজার দিয়ে দ্রুতগতিতে











