কুড়িগ্রাম রৌমারী উপজেলার খেওয়ার চর বকবান্দার জেলেরা পল্লী গ্রামের সীমান্ত পাহাড় ঘেষা রৌমারী উপজেলাধীন যাদুর চর ইউনিয়নের খেওয়ার চর জিনজিরাম রাবার ব্রিজ নদীতে জেলেরা গাছের ডালপালা কাটার মাছ শিকার করতে নেমে আশানুরূপ মাছ পাচ্ছে না।
রৌমারী থেকে আকতার হোসেনের পাঠানো ভিডিও চিত্রে দেখুন বিস্তারিত, সামান্য মাছ বিক্রি করে যে টাকা পায় তা দিয়ে সংসার ও ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারছে না। ফলে জেলে পল্লীর জেলেরা দাদন আর ঋণের বেড়াজালে বন্দী হয়ে পড়েছে।
ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করা জেলেদের ওপর ভয়াবহ বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে। একদিকে সংসার অন্যদিকে ঋণের টাকা জোগার করতে এবং মহাজনদের চাপে পড়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ শিকার করতে নামতে বাধ্য হচ্ছে। রৌমারী উপজেলার জেলেরা নদীতে মাছ শিকার করতে না পারলেও ঋণের কিস্তি থেকে জেলেদের কোন রেহাই নাই। কিস্তি পরিশোধের জন্য বাধ্য হয়েই অনেক জেলে মাছ শিকার করেছে। অবরোধের সময় ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেয়া ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ না থাকায় জেলেরা চাপের মধ্যে পড়ে ছিল।
উপজেলার বকবান্দা গ্রামের মুমতাজ ও শহিদুল জেলে জানান এ বছর প্রচন্ড ঠান্ডা কুয়াশায় আমরা জেলেরা হিমশিম
খাচ্ছি, ব্যাপারীরা পড়ে গেছি মহাবিপদে , এদিকে বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে তারা ঋণ নিয়েছি টাকা দিয়ে জাল ও নৌকা তৈরি করেছি। মাছ বিক্রি করে ঐ ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারছিনা।
রৌমারী উপজেলার বকবান্দা বালিয়া মারী প্রায় হাজার জন জেলের মধ্যে অধিকাংশ জেলে পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছি।











