সর্বশেষ

সাভারের বিরুলিয়া ইউপি সদস্য আপেল দেওয়ান “বিএনপি”পরিবার হওয়া সত্ত্বেও:কেন আছে শঙ্কায়

সাভার বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসী আপেল দেওয়ানকে,আশাকরি নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। তবে নতুন করে প্রশ্ন তো অবশ্য’ই প্রশ্ন রয়ে যায়। কারণ সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের একটি পরিবার যেখানে বিএনপি পরিবার হওয়া সত্বেও ফ্যাসিস সরকারের সময়েও বারবার ইউপি নির্বাচনে জনতার ভোটে নির্বাচিত হয়েছে আপেল দেওয়ান।

আপেল দেওয়ান বিগত ফ্যাসিস আওয়ামী লীগের ১৭ বছর ঘাত-প্রতিঘাত হামলা মামলা নির্যাতন বিভিন্ন প্রকার চাপের মধ্যে থেকেও তাকে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র থেকে কোন স্বৈরাচার শক্তি এক বিন্দুও আলাদা করতে পারে নাই। তিনি বিভিন্ন প্রকার চাপের মধ্যে থেকেও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে এ যাবৎ বুকে লালন করে আসছে। তার ছিল সততা ন্যায় নিষ্ঠাবান অবিচল পথ চলা। তিনি আজও জাতীয়তাবাদী দলকে ভালোবেসে বুকে ধারণ করে, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্যই কাজ করে যাচ্ছে। আপেল দেওয়ান বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ড থেকে দুই দুই বারের বিপুল ভোটে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়েই আজও তিনি বিরুলিয়া ইউনিয়ন বাসীর জন্য নিঃস্বার্থ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তার রয়েছে বিপুল ভোটব্যাংক তিনি সারা বিরুলিয়া ইউনিয়নে তার একটা আলাদা ভাবে ক্লিন ইমেজ রয়েছে। তার রয়েছে অসংখ্য বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষী ও দলবল নির্বিশেষে ভালোবাসার মানুষগুলো। এ সকল মানুষেরই একটাই নিজ জিজ্ঞাসা, ৫ই আগস্টের পট-পরিবর্তনের পরেও কেন সে বিএনপি পরিবার হয়েও নীরবতা নিস্তব্ধতা কোনঠাসা হয়ে আছেন? আজ এই প্রশ্ন সকলের মনে জাগে।

আমার কথাগুলোর বলার কারণ একটাই,আমি দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত আপেল দেওয়ানকে দেখেছি,একসাথে চলাফেরা করেছি,সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছি,আমার সঙ্গে মান অভিমানও হয়েছে তারপরক্ষণই সে আমাকে চাচা সম্বোধন করে ডেকে কথা বলেছে। আমাকে ও আমার পরিবারকে মানসিক ও মানবিক সাপোর্টও তার কাছ থেকে পেয়েছি। আমাকে যারা চিনেন তারা হয়তো বলবেন,আমি যে এ কথাগুলো বলছি সে আমাদের ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে না। নীরবতা নিস্তব্ধতা আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে,কেন তার এই নীরবতা কেউ কি তাকে এ সম্বন্ধে প্রশ্ন করেছেন অথবা জিজ্ঞাস করেছেন? আমি দেখেছি বিগত ফ্যাসিস আওয়ামী লীগের সময়ে থাকে বহুবার বাড়ি ছাড়া অন্যত্থে থাকতে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় কোন প্রকার মামলা ছিলনা তবে কেন তাকে চাপের মধ্যে রেখে ফ্যাসিস আওয়ামী লীগের কিছু নেতা কর্মী মিথ্যা মামলা দিয়ে ও মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল।

ফ্যাসিস আমলে আওয়ামী লীগের নেতাদের তাবেদারির করে নাই বলে? নাকি তাদের অসৎ উদ্দেশ্যকে সাপোর্ট না করার জন্য তাদের কথা তাদের মত ও পথ অনুসরণ- অনুকরণ করে নাই বলে? আমি ঐ সমস্ত জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপেল দেওয়ান ফ্যাসিস আওয়ামী লীগের সময়ের একজন সৎ নিষ্ঠাবান জনসমতিত দুই দুইবারের দল-মত নির্বিশেষে জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তার এই জনপ্রিয়তা এমনিতেই আসে নাই,আসছে মানুষের অন্তরের ভালোবাসা ও তার সততা দলবল নির্বিশেষে মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন বাপ দাদার সম্পত্তি বিক্রি করে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার থেকেই মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছে। আমি বলব তিনি একজন ক্লিন ইমেজের জনপ্রতিনিধি।

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসী সকলেই জানেন,সকল ইউপি সদস্যদের চিনেন এবং জানেন, কিছু কিছু ইউপি সদস্যরা ফ্যাসিস আওয়ামী লীগের আমলে ওপেনে আওয়ামী লীগের পদ পদবী নিয়ে সক্রিয় ছিল,এখনো আছে,এলাকার মধ্যে দাপটে চলছেন। প্রকৃত আওয়ামী লীগ যারা করতো তারা এখন খোলস পাল্টিয়ে বিএনপি’র সাথে বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু আপেল দেওয়ান ফাসিস আমলের বিগত দিন গুলোতেও কোণঠাসা হয়ে ছিল। এখনো দেখছি নীরবতা নিস্তব্ধতা একপ্রকার কোণঠাসা হয়ে আছেন। কিন্তু কেন? অভিমান না বিগত দিনের জুলুম নির্যাতন হামলার মামলা কারণও হতে পারে।

বিএনপি’র সাভার আশুলিয়ার শীর্ষ নেতারা কি তাকে একবার হলেও জিজ্ঞাস করেছে? তার রয়েছে চাপা কষ্ট,তারপরেও তিনি ও তার পরিবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে ভালোবেসে অন্তর থেকে বুকে ধারণ করে আজও নিরবে নিস্তরে দলের জন্য নিরস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা আজীবন দেখে আসলাম বিএনপির জন্য কত নির্যাতন জুলুম হামলা-মামলা স্বীকার হতে হয়েছে। তার রাজনৈতিক জীবনে কোনদিন দলের কোন পথ-পদবির ক্ষমতার চেয়ার দখলের জন্য কোন প্রকার লোভ-লালসা তাকে গ্রাস করতে পারে নাই। তিনি ইচ্ছা করলে বিএনপি থেকে পথ পদবী নিতে পারতেন- ভালো একটি চেয়ারও দখল করতে পারতেন কিন্তু তিনিও তা করেননি। আমি মনে করি তিনি ইচ্ছা করলে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অনেক কিছু অর্জন করতে পারতেন চেয়ার ক্ষমতা পথ-পদবি নিতে পারতেন তারপরেও তিনি তা করেননি। শুধু জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ভালোবাসা বুকে ধারণ করে নিরবে দল ও দলকে দিয়েই গেছেন। বাপ দাদার সম্পত্তি বিক্রি করেও দলের জন্য ও মানুষের জন্য ব্যয় করেছেন আর অন্যরা দল করে জিরো থেকে হিরো হয়েছেন। বিএনপি’র সাভার আশুলিয়ার বিএনপি হাই কমান্ডের প্রতি একটাই অনুরোধ থাকবে,এখন যারা আওয়ামী লীগ থেকে এসে বিএনপির দলে ভীর করছে এইসব’হাইব্রিড’নেতাদের চিহ্নিত করা উচিত বলে আমি মনে করি। যারা পারিবারিক ও জন্মগতভাবে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সাথে লেগে থেকে বিগত ১৭ বছর যাবৎ জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছে তাদেরকে প্রকৃত ভাবে জাতীয়তাবাদী শক্তি থেকে আলাদা করা উচিত হবে না বলে আমি মনে করি।

ফরিদপুর-গোয়ালন্দে ফের সক্রিয় অবৈধ বালু উত্তোলন চক্র:হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার অভিযোগ

স্থানীয়দের তথ্য মতে:বিরুলিয়া ইউনিয়নে আপেল দেওয়ানসহ আরও দুই এক জন ইউপি সদস্য ছাড়া বাকী যতগুলো ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছে সবই ফ্যাসিস আ,লীগের পদধারী নেতা আর এই সমস্ত নেতা ইউপি সদস্যদের প্রভু- গডফাদার ছিল,সদ্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল আলম রাজিব।

বিগত ২৪ সালে ৫ ই আগস্টে ফ্যাসিস আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরবর্তী সময়ে আ,লীগ পুনরায় পূর্ণবাসন হওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘোষণার মুহূর্ত থেকে দেখতে পাচ্ছি,দীর্ঘদিন যারা আ,লীগের নাম ব্যবহার করে বিএনপি নেতাকর্মী’র উপর জুলুম নির্যাতন চালিয়েছে তারা আজ বিএনপির মিটিং মিছিলে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছে। এখন মানুষ সচেতন এগুলোতো সাধারণ জনগণ বোঝে। বিএনপি’র প্রতি অনুরোধ থাকবে এদেরকে দূরে রাখাবে।

সচেতনদের কাছে প্রশ্ন রেখে যাই,এটা কি শুধু’ই ভোট চাওয়া না-কি আ,লীগের পূর্নবাসন?
আ,লীগও কিন্তু রাজনীতিতে যাকে তাকে টাকার বিনিময়ে পদ পদবী দিয়ে রাজনীতি’টাকে ব্যবসায় পরিনত করেছিলেন। এখন দেখছি বিএনপি’র অধিকাংশ জায়গায় সেম একই কাজ করতে দেখা যাচ্ছে। তাই একই ভুলে রাজনীতি’র মাঠ ছেড়ে দেশ বিদেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছে আওয়ামী লীগ।

বিএনপি নেতারাও কিছু টাকার লোভে সেই ফাঁদে পা বাড়িয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করে দলের ক্ষতি করে যাচ্ছেন। বিএনপি ‘র নেতাদের মনে রাখা উচিত,যেই লোভে আ,লীগ ধংষের তার প্রান্তে এসে পৌঁছেছে। অধিকাংশ বিরুলিয়া ইউপি সদস্য হয়েছে,ফ্যাসিস আ,লীগের পদধারী নেতারা এখনো তারা বহাল তবিয়তে সক্রিয় ভাবেই রয়েছেন। কিছু কিছু ইউপি সদস্যর নাম ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতা হত্যার মামলার আসামীর তালিকাতে রয়েছে।

পরিশেষে একটি কথা বলতে চাই,আপেল দেওয়ানের পরিবারের মতো জাতীয়তাবাদী দল ‘বিএনপি’এরকম একজন জনবান্ধব-জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধিকে হারিয়ে যেতে দিবেন না বলে আমি মনে করি। তার এই নিস্তব্ধতা নীরবতা মানুষের মনে শঙ্কা তৈরি করেছে,মানুষের মাঝে যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে সেগুলো দূর করতে হলে অবহেলিত বিরুলিয়াবাসীর জন্য সাভার আশুলিয়ার বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের এগিয়ে আসতে হবে।

সার্বিক বিষয়ে নিয়ে কথা বলেন,আপেল দেওয়ানের বড় ছেলে আরিফ দেওয়ান সে এক প্রকার গর্ব করে বলেন,ভাগ্যগুণে আল্লাহ আমাকে আপেল দেওয়ানের ছেলে হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছি। তাই আমার এই পরিচয়টাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। আমার জীবনে আমি কখনো আব্বুর মধ্যে লোভ- লালসা দেখিনি,টাকার লোভ,ক্ষমতার লোভ,না কোনো পদ-পদবির। তিনি ছিলেন নীরব, নিষ্ঠাবান সৎ এবং আল্লাহভীরু একজন মানুষ।

পাহাড়ী জনপদ ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ইউপি সদস্য রুস্তম আলীকে অপহরণ

আমরা বিরুলিয়া ইউনিয়নের মানুষ। আওয়ামী লীগের গত কয়েক বছরে কত বড় বড় মিটিং,কত রাজনীতি আর কত আলোচনার ঝড় বয়ে গেছে। অথচ প্রতিবারই আব্বুর জন্য থাকতো কিন্তু তার চেয়ার ফাঁকাই থাকতো। তিনি যদি সেই চেয়ারগুলোতে বসতেন,তাহলে অনেক দরজা তাঁর জন্য সহজেই খুলে যেত, অনেক চাপ এড়িয়ে যাওয়া যেত। হয়তো হয়রানি,হয়তো এই দীর্ঘ নীরব কষ্ট—সবই কম হতো। কিন্তু তিনি জানতেন,সব দরজা দিয়ে ঢুকতে নেই। কিছু দরজা খুললে মানুষ বড় হয়, আর কিছু দরজা খুললে মানুষ ছোট হয়ে যায়।
সে তার নীতি আদর্শকে বিসর্জন দেন নাই, তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে বুকে ধারণ করে আজও নিরব নিস্তব্ধতা হয়ে আছেন। তিনি বাঁকতে জানতেন,কারণ জীবন তা শিখিয়েছে; কিন্তু কখনোই ভাঙেননি,কখনোই মাথা নত করেননি।

আজও বুকের ভেতর ভার হয়ে আসে সেই দিনটার কথা মনে হলে। পুলিশ ফোন করে বলেছিল,ভাই আপনাকে নিয়ে যেতে হবে।”
এরপর আব্বুর নামে এমন সব অভিযোগ আর মামলা দেওয়া হয়েছিল, যেগুলো হয়তো তিনি কোনোদিন কল্পনাও করেননি। এমনভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছিল যেন বিরুলিয়া ইউনিয়নের একমাত্র সক্রিয় বিএনপি নেতা তিনিই।

সব কিছুর মাঝেও আব্বু ভেঙে পড়েননি। কোনো অভিযোগও করেননি,কোনো প্রতিশোধ পরায়ণও হয়নি। সবসময়ই শুধু আল্লাহর উপর ভরসা রেখেছেন। আর সেই ভরসাতেই আজও বিশ্বাস করি—ইনশাআল্লাহ,সামনে ভালো কিছুই অপেক্ষা করছে। সবাই দোয়া করবেন,আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সবসময় ভালো রাখেন, সুস্থ রাখেবে এবং সব বিপদ-আপদ থেকে আমাদের বিরুলিয়া বাসীকে হেফাজত করবেন ইনশাআল্লাহ।

চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে প্রথম দফার সংঘর্ষের...

Read more

সর্বশেষ

ADVERTISEMENT

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত


সম্পাদক ও প্রকাশক : মাে:শফিকুল ইসলাম

কার্যালয় : ভাদাইল, ডিইপিজেড রোড, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা-১৩৪৯

যোগাযোগ: +৮৮০ ১৯১ ১৬৩ ০৮১০
ই-মেইল : dailyamaderkhobor2018@gmail.com

দৈনিক আমাদের খবর বাংলাদেশের একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে দৈনিক আমাদের খবর, অনলাইন নিউজ পোর্টালটি সব ধরনের খবর প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রচারিত অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলির মধ্যে এটি একটি।

ADVERTISEMENT