সর্বশেষ

দাম বৃদ্ধির আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে প্রাইভেট গাড়ি ও মোটরবাইকের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণত দাম বৃদ্ধির খবর ছড়লে এমন দীর্ঘ লাইন দৃশ্যমান হতো। ইরান যুদ্ধের আবহে দাম বেড়ে যেতে পারে সেই আতঙ্ক কাজ করছে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহবাগ, মৎস্য ভবনে অবস্থিত পেট্রোল পাম্প এমন দৃশ্য দেখা গেছে। পরিবাগে অবস্থিত মেঘনা অয়েল কোম্পানির পেট্রোল পাম্পে বাইকের লাইন ইন্টারকন্টিনেন্টাল সিগন্যালে পর্যন্ত দেখা  গেছে।

মেঘনা মডেল পাম্পের ম্যানেজার হাবিবুল্লাহ বলেন, আজকে সকাল থেকেই বাড়তি চাপ দেখা যাচ্ছে। বাইকচালকরা সাধারণত দুই-চার লিটার করে তেল নিলেও আজকে সকলেই ট্যাংকি ফুল করে নিচ্ছেন। দৈনিক ১৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল বিক্রি হয়, আজকে হয়তো ২০ হাজার লিটার ছাড়িয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, আমাদের পাম্পের তেলের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে ৩০ হাজার লিটার।

আবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার

অস্বাভাবিক চাপ দেখা গেছে মৎস্যভবন এলাকায় অবস্থিত পেট্রোল পাম্পেও। পাম্পাটিতে তেল নিতে আসা বাইকের লম্বা লাইন দেখা গেছে। পাশাপাশি প্রাইভেট গাড়ির সংখ্যাও অন্যদিনের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। একজন গাড়ি চালক বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে যেতে পারে। তাই আগে-ভাগে ট্যাংক ফুল করে নিচ্ছি। তেল পাওয়া যায় কি-না এমন শঙ্কার কথাও কেউ কেউ বলা বলি করছেন।

বুধবার রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা রকম গুজব দেখা যাচ্ছে। অনেকেই জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার বেড়ে যাওয়া, হরমুজ প্রণালি বন্ধের খবর শেয়ার দিচ্ছেন। এতে করে যানবাহন ব্যবহারকারিদের মধ্যে এক ধরণের আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) একটি সুত্র দাবি করেছে, দাম বেড়ে যাওয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, অনেকেই ফোন করে জানতে চাইছেন দাম বাড়ছে না-কি! দাম সমন্বয় করা হয় প্রতি মাসের শেষ দিন, অর্থাৎ এখন মাত্র ৫ তারিখ। দাম সমন্বয় হলেও তা হবে ৩১শে মার্চ। সে কারণে আন্তর্জাতিক বাজারদর বাড়লেও সহসা সমন্বয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও উদ্যোক্তা বিকাশে ৭০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর

বিপিসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান বলেন, জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করবো। শুধু চলতি মাস নয়, আগামী জুন পর্যন্ত তেল সরবরাহ নিশ্চিত রয়েছে। পরিশোধ তেল যেসব উৎস থেকে আসবে, ইরান যুদ্ধের কোন প্রভাব নেই ওইসব অঞ্চলে। এগুলো আসবে চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। বর্তমানে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুত রয়েছে। নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে ২রা মার্চ পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে।

    Opps, No posts were found.

সর্বশেষ

ADVERTISEMENT

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত


সম্পাদক ও প্রকাশক : মাে:শফিকুল ইসলাম

কার্যালয় : ভাদাইল, ডিইপিজেড রোড, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা-১৩৪৯

যোগাযোগ: +৮৮০ ১৯১ ১৬৩ ০৮১০
ই-মেইল : dailyamaderkhobor2018@gmail.com

দৈনিক আমাদের খবর বাংলাদেশের একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে দৈনিক আমাদের খবর, অনলাইন নিউজ পোর্টালটি সব ধরনের খবর প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রচারিত অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলির মধ্যে এটি একটি।

ADVERTISEMENT
×

নিউজ কার্ড প্রিভিউ (HTML Version)

News Image
০৫ মার্চ ২০২৬
Trulli

দাম বৃদ্ধির আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়