সাধ্যের মধ্যে পছন্দের কোরবানির পশু কিনছে ক্রেতারা। তবে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও ক্রেতা বিক্রতার জমজমাট উপস্হিতিতে ঈদের আমেজে মুখরিত হয়ে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী রৌমারী হাট, অতিথি ক্রেতাদের কঠোর নিরাপত্তার সবধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক চেয়ারম্যান আহবায়ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি রৌমারী উপজেলা,
তার সুযোগ্য পুত্র শাকিল আহমেদ হাট ইজারাদার।
একটি সুন্দর শৃঙ্খলা হাট বাজার পরিচালনার জন্য শ্রেষ্ঠ পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন আব্দুর রাজ্জাক চেয়ারম্যান,স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং ন্যায্য মূল্যে অত্যন্ত একটি হাট পরিচালনা কার্যক্রম কৌশল গুলো ইতিমধ্যে নেওয়া হচ্ছে।
রৌমারী সদর বিখ্যাত পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাক, নসিমন, ভটভটিসহ নানা ভাবে হাটে পশু নিয়ে খামারি, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষেরা।
হাটে মাঝারি গরুর সংখ্যাই বেশি। স্থানীয় খামারি রাশেদুল জানিয়েছেন, হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে তার ব্যাক্তিগত খামারে ৮ টি গরু লালন পালন করেছেন। যদি ভারত থেকে গরু বাজারে না আসে, খরচ পুষিয়ে কিছু লাভের আশা করেন। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে গরু নিয়ে হিমশিম খাচ্ছি।
গরু কিনতে আসা মমিনুল বলেন, গত কয়েক হাট ধরে রৌমারী হাটে গরু কিনতে আসি। বৃষ্টির কারণে গরু কিনা সম্ভব হয় না। তবে আজ সোমবার আকাশটা ভালো দেখা যায় এবং হাটে প্রচুর গরু উঠেছে। আজ সম্ভব হবে গরু কিনতে। ছাগল বিক্রেতা তামিম হাসান বলেন, ২ টি খাসি ছাগল এনেছিলাম। ১ টি বিক্রি করেছি। আবহাওয়া খারাপের কারণে অন্যটি বিক্রি করতে সমস্যা হচ্ছে।
হাটে যে গরু, মহিষ ও ছাগল উঠেছে মোটামুটি প্রায় সব গুলি সুস্হ্য। হাটে দেশীয় গুরু মহিষের সংখ্যা বেশি। হাট ইজারাদার আব্দুর রাজ্জাক চেয়ারম্যানের ও তার পুত্র শাকিল আহমেদ জানান, হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ও থাকা খাওয়া পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যবস্হা রয়েছে। গরু মহিষ ও ছাগলের আমদানি আশানুরূপ। কেনা বেচা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন।













