কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানা পুলিশের বিরুদ্ধে প্রবাসীর বৃদ্ধ মা ও স্ত্রীকে মারধর পূর্বক বসতঘর থেকে বের করে দেয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রতিকার চেয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগকারী ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড গোদাম পাড়ার মালেয়শিয়া প্রবাসী শাহজাহানের স্ত্রী শাহেনা আকতার অভিযোগে উল্লেখ করেন।
গত ২৯ জুন( শুক্রবার) দিবাগত গভীর রাতে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদারের নেতৃত্বে এসআই আশরাফ ও এএসআই জহিরসহ পুলিশদল ভাড়াটিয়া একদল লোক নিয়ে যুক্তিসঙ্গত কোন কারণ ছাড়া অভিযোগকারীর ঘরে প্রবেশ করে প্রবাসী শাহজাহানের বৃদ্ধা মা এবং স্ত্রীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন ।
একপর্যায়ে প্রবাসীর স্ত্রী এবং বৃদ্ধ মাকে পরদিন বিচারের আশ্বাসে মধ্যরাতে ঘর থেকে বের করে দেন। এ সুযোগে পর দিন প্রবাসীর ডিভোর্সী প্রথম স্ত্রী শাহেদা সুলতানা বিউটিকে সু কৌশলে বসতঘরে প্রবেশের সুযোগ করে দেয় পুলিশ। যা ভুক্তভোগী পরিবারকে সামাজিক ভাবে হেয় ও চরম ক্ষতিগ্রস্থ করে।
এ ঘটনায় প্রবাসীর ভুক্তভোগী স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার বাদী হয়ে সুবিচারের আশায় পুলিশ সুপার বরাবর সোমবার (১ জুন) ওসিসহ অপর দুই কর্মকর্তা এসআই আশরাফ ও এএসআই জহিরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ইতিপূর্বে উক্ত ঘটনায় ৩১ জুন প্রবাসীর বৃদ্ধ মা ও স্ত্রী শাহেনা আক্তার উক্ত ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্য ও অপরাপর দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করে প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেছেন।
উপরুক্ত অভিযোগের বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদারে সাথে কথা হলে জানান, প্রথম স্ত্রীর পরকিয়া ইস্যুকে কেন্দ্র করে তালাক ও স্বামীর ঘরে অবস্থান নিয়ে দুই স্ত্রীর মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ঘটনার দিন দ্বিতীয় স্ত্রী প্রথম স্ত্রীর মেঝ কন্যাকে ঘরে আটকে রাখার সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লোকজনের সহায়তায় উক্ত কন্যাকে উদ্ধার করে। অভিযোগে উল্লেখ করা অন্য সব তথ্য ভিত্তিহীন বলে তিনি দাবি করেন।















