সুজন বেপারীঃ
বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত রাজনৈতিক পলিটিক্যাল স্পেশাল ব্রাঞ্চের কর্মকর্তা অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মাহবুব হোসেন (পিপিএম বার) (বিপিএম বার) একজন মুন্সিগঞ্জের কৃতি সন্তান হিসেবে নির্লোভ, নির্মোহ, সদালাপী, পরোপকারী অত্যন্ত সাদা মনের মানুষ, একজন মানবতার ফেরিওয়ালা ও পুলিশের উজ্জ্বল নক্ষত্র বাহিনীর মানবতার নিদর্শন।
অনুসন্ধানে জানা যায় প্রকৃতপক্ষে যারা দুস্থ্য, গরীব,শীতে কাতর তাদেরকেই কম্বল দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মাহবুব হোসেন সাহেবের দিকনির্দেশে স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপ্রেরণা যোগানোর জন্য আইসক্রীম ও জুস বিতরণ করেন। সৌদি বাদশা সালমানের মানবিক সাহায্য ও রিলিফ সেন্টারের সহযোগিতায় দেশব্যাপী ৮৭ হাজার হতদরিদ্র পরিবারে মাঝে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি ও ধর্মীয় অনুশাসনের জন্য নিজ বাড়িতে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করেন। শীতকালে দরিদ্র ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণসহ বিভিন্ন সামাজিক গণমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।
যিনি করোনাভাইরাস সংক্রমণ কোভিড-১৯ প্রতিরোধে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে থাকেন। দেশের মানুষের পাশাপাশি ভাবেন মুন্সীগঞ্জের অসহায়, হতদরিদ্র,অবহেলিত,বঞ্চিত মানুষের কথা। কিভাবে লাঘব করা যায় গরীব,দুঃখি মানুষের দুঃখ,দূর্দশা। কি ভাবে এলাকার মানুষকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে দূরে রাখা যায়। অসহায় কর্মহীন মানুষকে সহায়তা করা যায়। মানুষের বিপদেআপদে সবসময় তিনি পাশে থাকেন। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন মানব কল্যানে।
তিনি চাকরির সুবাদে বসবাস করেন ঢাকাতে,কিন্তু তার মন সদাই পরে থাকে নিজ জন্মস্থান মুন্সীগঞ্জে। চিন্তা করেন মুন্সীগঞ্জবাসীকে নিয়ে,ভাবেন এলাকার মানুষকে নিয়ে, কিভাবে মানুষ দু’বেলা দু’মুঠো খেয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করবেন। দূর্নীতি, মাদক,সন্ত্রাস মুক্ত একটি সুন্দর পরিপাটি সুস্থ সমাজ গড়ে তুলাই তাঁর লক্ষ্য ।
যখনি সময় পান ছুটে আসেন নিজ এলাকায়।এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে এসে দাঁড়ান। মীরকাদিম পৌরসভার রিকাবীবাজারের মানুষের কাছে পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত আইজিপি মাহবুব হোসেন একজন আস্থাভাজন ও ভালোবাসার মানুষ হিসাবে অতি পরিচিত।তিনি তাঁর ভালোবাসার যাদুতে খুব সহজেই মানুষকে আপন করে নিতে পারেন। বড়,ছোট আপন,পর সকলেই তার কাছে সমান। তাঁকে অনেকেই বলে থাকেন মানবতার ফেরিওয়ালা ও একজন মানবসেবক। ইতিপূর্বে দেশের এই মহামারি করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এর ক্রান্তিলগ্নে ও থেমে নেই তাঁর মানবতার সহায়তা। এলাকার মানুষের প্রতি রয়েছে অগাধ ভালোবাসা।
করোনাভাইরাস সংক্রমণে লকডাউনের কারনে খেটে খাওয়া মানুষের আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে কর্মহীন হয়ে পড়ায় নিম্ন আয়ের ও মধ্য আয়ের মানুষের মাঝে লকডাউনের শুরু থেকেই খাদ্য সহায়তা করে থাকেন। পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে পিপিই,মাস্ক,স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন করোনাভাইরাসের সময় উপকরণ বিতরণে হাত বাড়িয়ে দেন। তাঁর এই মহানুভবতার কথা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে মুন্সীগঞ্জবাসীর কাছে।
পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মাহবুব হোসেন বলেন, পুলিশ মানুষের বন্ধু, তাই মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। আমি আপনাদের জন্য সব সময় নিয়োজিত হয়ে কাজ করে যেতে চাই। এদেশের গুণি লোক আমরা নই, গুণি হচ্ছে মাঠে রোদ- বৃষ্টিতে ফসল ফলানো কৃষক, তাদের জন্য লিখুন।
আরও বলেন তিনি, দেশকে দারিদ্র, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত করতে দেশের সকল নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে। দারিদ্রতার বিরুদ্ধে দেশের প্রতিটি নাগরিককে কাজ করতে হবে। এদেশের কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুরসহ সকলের সন্তানকে সমানভাবে শিক্ষা দীক্ষায় এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। অর্থনৈতিক মুক্তি পেতে হলে দেশের সকল নাগরিককে কাজ করতে হবে। ইউরোপের দেশগুলোর মতো বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে দুর্নীতি মুক্ত করতে হবে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল সকল নাগরিকের অর্থনৈতিক ও সার্বিক মুক্তি তবেই আমরা উন্নত জাতী ও উন্নত দেশ হিসাবে গর্ব করতে পারবো।















