চুয়াডাঙ্গার চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা সেতুর নিচ থেকে কার্পাসডাঙ্গা এলাকার ফারাজ আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রথমে পরিচয়হীন হিসেবে উদ্ধার করা হলেও পরে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করে।
নিহত ব্যক্তি ফারাজ আলী (৫৫) চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত. আব্দুল হাকিমের ছেলে। গতকাল বুধবার সকালে স্থানীয়রা বড়বাজার মাথাভাঙ্গা ব্রীজের নিচ থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত মরদেহটি প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে ঘটনাস্থলে সিআইডির একটি দল পৌঁছে মরদেহের হাতের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে। প্রযুক্তির সহায়তায় পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পুলিশের সঙ্গে কথা বলে নিহতের ছেলে জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। বেশ কিছুদিন আগে তিনি নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
স্থানীয়রা জানান, বেশ কিছুদিন যাবত ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও কথা বলেননি তিনি।গতকাল সকালের দিকে সেতুর নিচ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ আসতে থাকে। পরে কয়েকজন মিলে গিয়ে বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশকে খবর দেয়। প্রথমে কেউ বুঝতেই পারেনি মরদেহটি কার। পরে পুলিশ এসে উদ্ধার করে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। প্রথমে মরদেহটির পরিচয় জানা যায়নি। পরে সিআইডির ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।










