রৌমারীতে ৮০ বছরের বৃদ্ধা মা, সন্তান কতৃক হত্যার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে রে্যমারী উপজেলাধীন খাটিয়ামারী গ্রামে।
খাটিয়ামারী গ্রামের মৃত্যু সিরাজুল ইসলাম এর স্ত্্রী মোছাঃ জায়েদা বেগম (৮০) লিখিত অভিযোগে জানান, আজ থেকে ৩২ বছর আগে তার স্বামী সিরাজুল ইসলাম মারা যায়। তার স্বামী মৃত্যুকালে দুই স্ত্রী ৩ ছেলে ৫ কন্য সন্তান রেখে যান।
সিরাজুলের প্রথম স্ত্রীর জেলেখার ঘরে ২ ছেলে ৩ মেয়ে ও দ্বিতীয় স্ত্রী জায়েদার ঘরে ১ ছেলে ২ কন্যা সন্তান রয়েছে। জায়েদার ১ ছেলে প্রবাসী, ২ মেয়ে বিয়ে দিয়েছে। জায়েদা বেগম একা স্বামীর বাড়িতে থাকেন। জায়েদা এবং জেলেখা একই বাড়িতে থাকলেও দুই সতীনের বাড়ি আলাদা পার্টিশন করা।
জাহের আলী ফকির কুক্ষাত মাদক ব্যাবসায়ী । যার অসংখ্য মাদক মামলা রয়েছে। এমনকি সে একজন সাজা প্রাপ্ত আসামী।
এব্যাপারে জায়েদা বেগম বলেন, পুলিশ সময় অসময়ে জাহের আলী ফকিরকে ধরতে গেলে জাহের আলী আমাকে সন্দেহ করে এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে হাতে ছুড়ি নিয়ে আমাকে ধাওয়া করে। আমি প্রাণ ভয়ে আমার মেয়ের বাড়িতে পালিয়ে থাকি। তিনি আরো বলেন, জাহের আলী আমাকে ঘর থেকে বেড় করে দিয়ে দরজায় তালা লাগিয়ে দিয়েছে।এমন কি সুযোগ পেলে সৎমাকে হত্যা করবে বলে বলাবলি করছে।তাই জায়েদা বেগম জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রৌমারী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ০৩/০৮/২৫ ইং রৌমারী থানা পুলিশ জায়দা বেগমের বাড়িতে গেলে জাহের আলী ফকির অনত্র সটকে পড়ে। পুলিশ উপস্থিত গ্রামবাসি ও জাহের আলীর নিজ মা জেলেখাকে জায়দা বেগমের ঘরের তালা খুলে দিতে বলে চলে আসেন।
পুলিশ সরে আসার পর পরই জাহের আলী ফকির উপস্থিত হয়ে তার সৎমা ও সৎবোনদের ধাওয়া করে। বিষয়টি মানবিক স্পর্শ কাতর। এব্যাপারে এলাকাবাসির ধারনা যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে।











