সিরাজগঞ্জে ছোট ভাইকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার হীনমন্যতায় ফাঁকিদিয়ে জমি লিখে নেওয়ার
অভিযোগ উঠেছে আপন সহোদর ভাইদের বিরুদ্ধে।
এছাড়াও জমির মূল্য নির্ধারণ করে রেজিষ্ট্রি কালিণ সময় রেজিষ্ট্রি অফিসে টাকা না দিয়ে বাড়িতে গিয়ে টাকা দেওয়ার কথা বলে সুকৌশলে ৪.৫০ শতক জমি রেজিষ্ট্রি করে নেয় অপর তিন ভাই। পর সুকৌশলে বাড়িতে এসে টাকা না দেওয়ায় পাগল প্রায় হয়ে সঠিক বিচার প্রাপ্তির আশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম।
ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা চর কল্যাণী গ্রামে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চরকল্যাণী গ্রামে হাজী আলাউদ্দিন তালুকদার এর ৭ ছেলে ও ১ মেয়ে। হাজী আলাউদ্দিন মৃত্যুবরন করায় সাকুল্য সম্পত্তি ৭ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে সম্পত্তি ভাগবাটোয়ারা
না করেই রফিকুল ইসলামের প্রাপ্ত ৮ শতক জমির মধ্যে ২ শতক জমি জবর দখল করে নেয় তার সহোদর ভাই আব্দুর রাজ্জাক ওরফে হায়দুর, ছানোয়ার ও বড়ভাই মৃত আনোয়ার হোসেন এর পুত্র শুভ।
অপর দিকে রফিকুল এর আরেক ভাই নুরনবী ফসলি জমি ৩.৫০ জমি ও বাড়ির ১.৫০ শতক জমি ক্রয় করার কথা বলে ৮ লাখ টাকা জমির মুল্য ধার্য্য করে রেজিষ্ট্রি অফিসে নিয়েযায়। রেজিষ্ট্রি অফিসে গিয়ে সুকৌশলে জমির মুল্য ৮ লাখ টাকা বাড়িতে গিয়ে পরিশোধ করার পরিশ্রুতি দিয়ে জমি লিখে নিয়ে বাড়িতে এসে ৩ লাখ টাকা জমি বিক্রেতা ছোট ভাই রফিকুল কে প্রদান করে। অবশিষ্ট ৫ লাখ টাকা আজও প্রদান করেনি।
এছাড়াও বসত বাড়ির জবরদখলকৃ ২ শতক জমি ও বিক্রয় করা জমির ৫ লাখ টাকা ফেরত পেতে গ্রামের মাতব্বর সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন প্রতিকার পায়নি।
এবিষয়ে পরিবারের সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে রফিকুল বলেন, আমার মরহুম পিতা হাজী আলাউদ্দিন তালুকদার আমাকে বাড়ির তৈরীর ৮ শতক জমি দিয়েছে, আমার ৮ শতক জমির চারিদিক থেকে আমার দুই ভাই হায়দুর, ছানোয়ার ও বড়ভাই আনোয়ার হোসেনের ছেলে শুভ দখল করেছে তারা বাড়ি করেছে।
এ বিষয়ে ভাই নুরনবী বলেন, ৪ মাস পূর্বে ছোট ভাই রফিকুলের নিকট থেকে চরার ৩.৫০ ও বাড়ির অংশ ১.৫০ শতক জমি ক্রয় করেছি। ক্রয়কৃত জমি রেজিষ্ট্রি হয়েছে। জমির মূল্য বাবদ ৫ লাখ ২৫ হাজার প্রদান করেছি। রফিকুল আমার কাছে কোন টাকা পয়সা পাবে না বলে তিনি জানান। এতে উভয় পক্ষে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এঘটনায় জমির মালিক ও ভুক্তভোগী ছোটভাই রফিকুল ইসলাম প্রশাসনের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করছেন।











