চট্টগ্রামে ব্র্যান্ডিং খাবারের প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা না করে সকল ধরনের ভেজাল অনুকরণ দিয়ে খাবার তৈরি করা হচ্ছে। নামিদামি ফুড শপগুলো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্নার কাজ সম্পন্ন করে। কিচেন রুম গুলো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকে সব সময়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ধারাবাহিক অভিযানে চট্টগ্রামের ব্র্যান্ডিং খাবারের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন সময় জরিমানা করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করার কাজ চলমান রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে খাবারে প্রাকৃতিক মশল্লার ব্যবহারের পরিবর্তে অননুমোদিত কেমিক্যাল কেওড়া জল মেশানোর অভিযোগে ‘কাচ্চি ডাইন’ চট্টগ্রামের জিইজি শাখাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
অভিযানে ভোক্তাদের অজান্তে সব খাবারে পাম অয়েল তেল ব্যবহার করাই সতর্ক করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব মোড়কে খাবার পরিবেশনে মেয়াদ উল্লেখ না করার অভিযোগে কেএফসি জিইসি শাখাকে বিশ হাজার টাকা এবং এবং ক্যান্ডি কে ৩০ হাজার টাকা জরিমান করা হয়।
এসব অভিযোগে তিনটি খাবার প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ভোক্তাধিকার চট্টগ্রামের উপপরিচালক ফয়েজ উল্লাহ।
এদিকে জরিমানা থেকে বাঁচতে বিভিন্ন যুক্তি দাঁড় করালেও শেষমেষ খাবারে পাম অয়েল তেলের ব্যবহার স্বীকার করে কেএফসি। তবে তা কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী করেন বলে দাবি কেএফসি কর্মকর্তারা।
ভোক্তা সাধারনের অভিমত সাধারণ মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অবৈধ ব্যবসায়ীরা নীতি নৈতিকতা হারিয়ে নিম্নমানের অনুকরণ ব্যবহার করে খাবারগুলো তৈরি করে। এতে যেমন সাধারণ মানুষকে কোম্পানিগুলো ঠকাচ্ছে তেমনি স্বাস্থ্যের ঝুঁকিতে ফেলে দিচ্ছে এই ফুড শপগুলোতে খাওয়া ভোক্তাদের।











