সাস্ত্রীয়, উপসাস্ত্রীয় সংগীতের কঠিনতর ধারায় অনেক অল্প বয়স থেকে চর্চ্চায় নিমজ্জিত হয়ে দীর্ঘ তপস্যায়, অনুশীলনে, অধ্যাবসায় গজল ও বাংলা মেলোডিয়াস গানের শ্রোতা মহলে অতি কাঙ্খিত শিল্পীর তালিকায় নিজের অবস্থান অনেক আগেই তৈরি করেছেন।”আবার দেখা হলে” খ্যাত শিল্পী মেসবাহ আহমেদ ২০২৬ এর শুরুতেই শ্রোতা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন ”দেবদাস” ”বড় খুনি” শিরোনামে একটি মেলোডিয়াস বাংলা গান। যার সুর তার নিজের কথা আহসান কবির এবং সংগীত আয়োজনে মানাম আহমেদ।
মূল পেশা ব্যাবসা হলেও নতুন বছর ঘিরে আছে তার সাংগিতিক পরিকল্পনা। সময়ের সাথে নিজেকে আধুনীক করে চলা এ গানের মানুষটি কাজ করেছেন দেশ ও বিদেশের বরেণ্য সংগীত পরিচালক ও যন্ত্র শিল্পীদের সাথে।সংগীতের এ পথ চলায় ওস্তাদ নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, ওস্তাদ মাসকুর আলী খাঁন, গজল কিং খ্যাত জগজিৎ সিং এর প্রমুখের কাছে সরাসরি তালিম পেয়েছেন। বাজারে মেসবাহ আহমেদ এর চারটি মৌলিক বাংলা গানের এ্যালবাম রয়েছে। যা তার নিজের লেখা সুরে ও একটি উর্দু গজলের এ্যালবাম রয়েছে। 
যার সম্পূর্ণ কাজ শ্রী জগজিৎ সিং এর তত্বাবধানে বম্বেতে সম্পন্ন হয়েছিলো। অধিকতর শো কিংবা এলবাম প্রকাশের চাইতে বরং প্রকৃত সংগীত শেখায় আগ্রহী মেসাবহ আহমেদ এই নতুন বছর টিকে নিজের সাথে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন। তার ধারাবাহিতায় বছরের প্রথম দিকেই ওস্তাদ সালামত আলী খান সাহেবের অন্যতম বংশধর ওস্তাদ রাফাকাত আলী খান সাহেবের কাছে গান শিখতে পাড়ি জমাবেন লন্ডনে। উল্লেখ্য মেসবাহ আহমেদ এই বিখ্যাত ওস্তাদের কাছে অনলাইনে তালিম রত আছেন। আসছে ভ্যালেন্টাইন ডে’ তে তার নিজের লেখা সুরে ”রংধনু মেয়ে” প্রকাশিত হবে। ”আয় তাকে নিয়ে যাই” শীর্ষক আরও একটি গান প্রকাশের অপেক্ষায়। মেসবাহ আহমেদ এ বিশ্বায়নের যুগে বাংলাদেশের গজল চর্চাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপস্থাপন করার লক্ষ্যে নিবেদিত। ভারতীয় স্বনামধন্য একাধিক চ্যানেলগুলিতে তার লাইভ পারফরমেন্স ব্যপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তিনিই একমাত্র বাংলাদেশী গজল শিল্পী যিনি বম্বেতে ”খাজানা” খ্যাত আন্তর্জাতিক গজল সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়ে পারফর্ম করে দেশের মুখ উজ্জল করেছেন।
যেখানে উপস্থিত ছিলেন শ্রী অলুপ জলটা। পংকজ উদাস, হরি হরন। অনুরাধা পাডোয়াল তথা বিশ্ব সেরা গজল গায়ক গায়িকারা |এ বছরেও ইউরোপে তার একাধিক পারফরমেন্স আছে বলে তিনি জানান। সংগীত নিয়ে নতুন ভাবনায় নতুন বছরে মেসবাহ আহমেদসাস্ত্রীয়, উপসাস্ত্রীয় সংগীতের কঠিনতর ধারায় অনেক অল্প বয়স থেকে চর্চ্চায় নিমজ্জিত হয়ে দীর্ঘ তপস্যায়, অনুশীলনে, অধ্যাবসায় গজল ও বাংলা মেলোডিয়াস গানের শ্রোতা মহলে অতি কাঙ্খিত শিল্পীর তালিকায় নিজের অবস্থান অনেক আগেই তৈরি করেছেন।”আবার দেখা হলে” খ্যাত শিল্পী মেসবাহ আহমেদ ২০২৬ এর শুরুতেই শ্রোতা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন ”দেবদাস” ”বড় খুনি” শিরোনামে একটি মেলোডিয়াস বাংলা গান। যার সুর তার নিজের কথা আহসান কবির এবং সংগীত আয়োজনে মানাম আহমেদ। 
মূল পেশা ব্যাবসা হলেও নতুন বছর ঘিরে আছে তার সাংগিতিক পরিকল্পনা। সময়ের সাথে নিজেকে আধুনীক করে চলা এ গানের মানুষটি কাজ করেছেন দেশ ও বিদেশের বরেণ্য সংগীত পরিচালক ও যন্ত্র শিল্পীদের সাথে।সংগীতের এ পথ চলায় ওস্তাদ নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, ওস্তাদ মাসকুর আলী খাঁন, গজল কিং খ্যাত জগজিৎ সিং এর প্রমুখের কাছে সরাসরি তালিম পেয়েছেন। বাজারে মেসবাহ আহমেদ এর চারটি মৌলিক বাংলা গানের এ্যালবাম রয়েছে। যা তার নিজের লেখা সুরে ও একটি উর্দু গজলের এ্যালবাম রয়েছে।
যার সম্পূর্ণ কাজ শ্রী জগজিৎ সিং এর তত্বাবধানে বম্বেতে সম্পন্ন হয়েছিলো। অধিকতর শো কিংবা এলবাম প্রকাশের চাইতে বরং প্রকৃত সংগীত শেখায় আগ্রহী মেসাবহ আহমেদ এই নতুন বছর টিকে নিজের সাথে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন। তার ধারাবাহিতায় বছরের প্রথম দিকেই ওস্তাদ সালামত আলী খান সাহেবের অন্যতম বংশধর ওস্তাদ রাফাকাত আলী খান সাহেবের কাছে গান শিখতে পাড়ি জমাবেন লন্ডনে। উল্লেখ্য এই বিখ্যাত ওস্তাদের কাছে অনলাইনে তালিম রত আছেন।
আসলে ভ্যালেন্টাইন ডে’ তে তার নিজের লেখা সুরে ”রংধনু মেয়ে” প্রকাশিত হবে। ”আয় তাকে নিয়ে যাই” শীর্ষক আরও একটি গান প্রকাশের অপেক্ষায়। মেসবাহ আহমেদ এ বিশ্বায়নের যুগে বাংলাদেশের গজল চর্চাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপস্থাপন করার লক্ষ্যে নিবেদিত। ভারতীয় স্বনামধন্য একাধিক চ্যানেলগুলিতে তার লাভ পারফরমেন্স ব্যপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তিনিই একমাত্র বাংলাদেশী গজল শিল্পী যিনি বম্বেতে ”খাজানা” খ্যাত আন্তর্জাতিক গজল সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়ে পারফর্ম করে দেশের মুখ উজ্জল করেছেন। যেখানে উপস্থিত ছিলেন শ্রী অলুপ জলটা। পংকজ উদাস, হরি হরন। অনুরাধা পাডোয়াল তথা বিশ্ব সেরা গায়ক গায়িকারা এ বছরেও ইউরোপে তার একাধিক পারফরমেন্স আছে বলে তিনি জানান। কারণ মেসবাহ আহমেদ বিশ্বাস করেন যে শিল্প চর্চা শুধু মাত্র টাকা উপার্জনের মাধ্যম নয় বরং একটা যাপিত জীবন দর্শন ও নিজেকে সমৃদ্ধ করার অন্যতম মাধ্যম।













