সর্বশেষ

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল দখলদার ইসরায়েল। এতে ইহুদিবাদী ভূখণ্ডের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, কিছু এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির খবরও পাওয়া গেছে। একই সময়ে ইরান দাবি করেছে, লারিজানির হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই এসব হামলা চালানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার পর মধ্য ইসরায়েলজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

চ্যানেল ১২-এর খবরে বলা হয়েছে, ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সতর্কতা জারির পর মধ্য ইসরায়েলের গুশ দান এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। এ সময় ভূপাতিত ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে কিছু বিস্ফোরণ ঘটেছে।

তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ, ৩৬ দিনের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের

হোলন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকটিতে আগুন ধরে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে একই গণমাধ্যম জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলায় মধ্য ইসরায়েলের কাফর কাসেম শহরের অন্তত চারটি স্থানে বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে ব্যাপক সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। একটি স্থানে আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়া দু’জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে তেল আবিব জেলার রামাত গান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একজন নারী ও একজন পুরুষ নিহত হয়েছেন বলে জরুরি সেবা সংস্থাগুলো জানিয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চ্যানেল-১২। এতে কোনও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে দাবি সংবাদমাধ্যমটির।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। বিয়ারশেবা শহরসহ নেগেভ অঞ্চলে হামলার সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়েছে। এদিকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, আলি লারিজানি ও তার সহযোগিদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থলে ১০০টির বেশি সামরিক ও নিরাপত্তা লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জবাব নিয়ে পর্যালোচনা করছে ইরান, প্রস্তুত তেহরানও

ফার্স সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করে, ইসরায়েলের ‘বহুস্তরবিশিষ্ট ও অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায়’ এসব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে। এই হামলায় খোররামশাহর-৪, কদর, এমাদ এবং খাইবারশাকান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে আইআরজিসি। সূত্র: আল-জাজিরা

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

দৈনিক আমাদের খবর একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ ও জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নির্ভুলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

×

নিউজ কার্ড প্রিভিউ (HTML Version)

News Image
১৮ মার্চ ২০২৬
Trulli

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল ইসরায়েল