রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে নিমজ্জিত হওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ বাসের চালক আরমান খানের (৩১) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আরমান রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার পশ্চিমখালখোলা গ্রামের আরব খানের ছেলে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করা বাসটি ফেরিঘাটের পন্টুন দিয়ে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় আরমান নিজেই বাসটি চালাচ্ছিলেন বলে দাবি করেছে তার পরিবার ও বাসের অন্যান্য স্টাফরা।
দুর্ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি তথ্যের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহত চালকের স্বজনরা। আরমানের ফুপাতো ভাই জানান, “অনেকেই গুজব ছড়িয়েছেন যে আরমান পান খাওয়ার জন্য বাস থেকে নেমেছিলেন এবং হেলপার বাসটি চালাচ্ছিল। কিন্তু এই তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আরমান যদি বাস থেকে নেমেই যেতেন, তবে পানির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হতো না।” নাম প্রকাশ না করার শর্তে সৌহার্দ্য পরিবহনের একজন কর্মী জানান, দুর্ঘটনার কবলে পড়া বাসটির চালক আরমান নিজেই ছিলেন এবং তার কাছে বৈধ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সও ছিল।













