তের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের টাঙ্গাইল শাড়ির প্রদর্শনী। ভারতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে হাইকমিশনেই এই প্রদর্শনী চালু হয়। পাবনা এবং টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির এই প্রদর্শনী উদ্বোধন হয়েছে শনিবার।
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে বলেন, ‘এটা কোনও কূটনীতি নয়। বরং এটা কারিগরদের উদযাপনের একটি প্রচেষ্টা। আমাদের মানুষের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। কূটনীতিতে আমাদের অনেক দর কষাকষি করতে হয়। তবে এরই সঙ্গে আমাদের একে অপরের প্রতি ভরসা করতে হবে।
প্রদর্শনীটি বাংলাদেশের হস্তশিল্পের ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি, ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রদর্শনী চলবে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। তিনশ’র বেশি শাড়ি প্রদর্শনীতে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ইউনেস্কো ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ‘টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি-বয়ন শিল্প’কে মানবজাতির অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই টাঙ্গাইলের শাড়ির ঐতিহ্য প্রায় ২০০ বছর পুরনো। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার, সন্তোষ ও ঘ্রিন্দা এলাকা থেকে এই শিল্প ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি ও নদিয়ায়তেও তৈরি হয় টাঙ্গাইল শাড়ি। ২০২৪ সালে ভারত জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) হিসেবে ঘোষণা করে টাঙ্গাইল শাড়িকে। বাংলাদেশ থেকে কিছু তাঁতি পরিবার পশ্চিমবঙ্গে এসে এই শাড়ির বয়ন শুরু করেছিলেন। ফলে দুই দেশেই টাঙ্গাইল শাড়ির প্রতি আগ্রহ রয়েছে। গত বছর বাংলাদেশে হাইকমিশনের উদ্যোগ জামদানি শাড়িরও একটি প্রদর্শনী করে বিশেষ সাড়া পেয়েছিল।
545
Shares
শেয়ার করুন
শেয়ার করুন










