নওগাঁর আত্রাই উপজেলার এক কাস্টমস কর্মকর্তার বহনকারী সিএনজির গতিরোধ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানাধীন সান্তাহার-রাণীনগর মহাসড়কের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। ভুক্তভোগী কাস্টমস কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন নয়নের দাবি, জমির ধান জোরপূর্বক কর্তন সংক্রান্ত একটি মামলার বিষয়ে নওগাঁ আদালতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। ফেরার পথে ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি তার বহনকারী সিএনজির গতিরোধের চেষ্টা করেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয়ে উঠলে সিএনজি চালক দ্রুত গাড়ি চালিয়ে নিকটবর্তী একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন।
পরে বাড়ির সদস্যরা আতঙ্কিত অবস্থায় থাকা ভুক্তভোগীকে নিরাপত্তা দিতে এগিয়ে আসেন। সেই বাড়ির সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, হঠাৎ আতঙ্কিত অবস্থায় সারোয়ার হোসেন নয়ন তাদের বাড়িতে প্রবেশ করলে তারা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে নিরাপদ আশ্রয় দেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পথরোধ করেন টিএম রাসেল (পিতা-মৃত টিএম কায়কোবাদ), রিয়াদ সোনার (পিতা-মহসিন সোনার), আলম সোনার (পিতা-মৃত আনোয়ার সোনার), আব্দুল সাত্তার সরদার (পিতা-মৃত জসমতুল্লাহ) এবং আব্দুল আলিম (পিতা-আফজালুর রহমান)। অভিযুক্তদের সকলের বাড়ি আত্রাই উপজেলার হিঙ্গুলকান্দী গ্রামে। করেছেন। অভিযুক্তদের বাড়ি আত্রাই উপজেলার হিঙ্গুলকান্দী গ্রামে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার পর বিষয়টি স্বজন, স্থানীয় নেতাকর্মী ও প্রশাসনকে জানানো হলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
পরে আদমদীঘি থানা পুলিশের এসআই ইনতেজার ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে বগুড়া জেলার আদমদীঘি জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ মাহমুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী সারোয়ার হোসেন নয়ন এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।















