আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশটির বিশ্বকাপ দলকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আগে ২১ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে বলে শুক্রবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক এ্যান্ড্রু গুইলিয়ানি ইএসপিএনকে জানান, মার্কিন কর্মকর্তারা ফিফা, কঙ্গোর জাতীয় দল এবং দেশটির সরকারের কাছে জানিয়ে দিয়েছে দলটিকে বেলজিয়ামে একটি “বাবল”-এর মধ্যে থাকতে হবে, যেখানে খেলোয়াড়রা বর্তমানে অনুশীলন করছে।
গুইলিয়ানি ইএসপিএনকে বলেন, “আমরা কঙ্গোকে খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছি যে, ২১ দিন তাদের বাবলের অখন্ডতা বজায় রাখতে হবে, এরপরই তারা ১১ জুন হিউস্টোনে আসতে পারবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা কঙ্গো সরকারকেও খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি যে, তাদের এই বাবল বজায় রাখতে হবে, নইলে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের অনুমতি নাও পেতে পারে। এর চেয়ে স্পষ্ট আর হতে পারে না। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে এ বিষয়ে আমাদের সীমান্তে বা এর আশপাশে কোনো ঝুঁকি যেন না আসে।”
মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ থেকে এএফপিকে পাঠানো এক পৃথক বিবৃতিতে গুইলিয়ানি জোর দিয়ে বলেন, সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে “আমেরিকান জনগণ, অংশগ্রহণকারী দল এবং লাখো ভক্তের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা।” মার্কিন কর্মকর্তারা এর আগে জানিয়েছিলেন যে, কঙ্গোর দলটি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পাবে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় গত ২১ দিনের মধ্যে কঙ্গো, উগান্ডা অথবা দক্ষিণ সুদানে অবস্থান করা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
গুইলিয়ানি বলেন, “আমরা দলটিকে উৎসাহ দিচ্ছি যাতে তারা অপ্রয়োজনীয় সংস্পর্শ থেকে খেলোয়াড়দের সুরক্ষিত রাখে এবং তাদের বাবলের অখন্ডতা বজায় রাখে, যাতে তারা টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারে।” শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্ব্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, কঙ্গোতে ইবোলায় আক্রান্ত নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ৮২ এবং নিশ্চিত মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। এছাড়া প্রায় ৭৫০টি সন্দেহভাজন সংক্রমণ ও ১৭৭টি সন্দেহভাজন মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে।
কঙ্গো এনিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। এর আগে তারা ১৯৭৪ সালে অংশ নিয়েছিল, যখন দেশটির নাম ছিল জায়ারে।














