কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ভারতের সীমান্তের মুসলিম নাগরিকদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইন এর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিএসএফ এর বিরুদ্ধে। পুশইনের খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামে এক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। বিজিবি ও সীমান্তবর্তী এলাকাবাসী রাতভর পাহাড়া দিতে থাকেন। সীমান্তবাসী মানুষ, ভারতীয় এমন নিরাপরাধ মুসলমানের পুশইন আগ্রাসন বন্ধ চাই।
সীমান্তবাসী জানান, গত এ সপ্তাহ ধরে সন্ধ্যার দিকে উপজেলার রৌমারী উপজেলার খেওয়ার চর, আলগার চর, বকবান্দা, চুলিয়ার চর, ঝাউ বাড়ি , বড়াই বাড়ী, ভুন্দুর চর, চর নতুন বন্দর, চান্দার চর ও নওদাপাড়া সীমান্তের ১০৬৩ থেকে ১০৬৬ এবং ১০৬৭- পুশইনের চেষ্টা চালায় ভারতীয় বিএসএফ। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে সাথে সাথে লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে ছুটে যান এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী আরোও জানায়, ভারতের অভ্যন্তরে থাকা আমাদের আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে আমরা জানতে পেরেছি ভারতের আসাম রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসলিম নারী, পুরুষ ও শিশুদের ধরে এনে সীমান্ত ক্যাম্পগুলোতে জড়ো করা হচ্ছে। তাদেরকে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে বিএসএফ। গত কয়েকদিন ধরে রাতের অন্ধকারে, সীমান্তের ‘সুদুরটিলা’ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা ট্রাকে করে বেশ কিছু মানুষকে পুশইন করার উদ্দ্যেশে সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে নিয়ে আসে। বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তে শক্ত অবস্থানে থাকায় বিএসএফের পুশইন ভেস্তে যায়।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির বড়াইবাড়ি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার সোহেল রানা বলেন, সীমান্তের ওপারে ক্যাম্পে লোকজন ধরে এনে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করছে বিএসএফ। গ্রামবাসীসহ আমরা শক্ত অবস্থানে রয়েছি। কোনোক্রমেই অবৈধ পুশইন হতে দেওয়া হবে না। জামালপুর ৩৫ বিজিবিকে রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করার জন্য রৌমারী এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছেন।













