সর্বশেষ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তা সরকারের কাছেই প্রশ্ন: তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক

দলীয় পরিচয় থাকলেও অপরাধ করলে বিএনপি সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিচ্ছে—এ কথা উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তো সরকার চালায়, তাহলে তারা অপরাধীদের গ্রেপ্তার করছে না কেন?”

শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি। পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ ওরফে লাল চাঁদকে প্রকাশ্যে হত্যার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “পুরান ঢাকায় যে ছেলেটিকে খুন করা হয়েছে, তার সঙ্গে যুবদলের সম্পর্ক থাকতে পারে। কিন্তু হত্যাকারীকে তো বাইরে থেকে আনা হয়েছে, এমনটাই খবর পেয়েছি। অথচ তাকেই এখনো মূল আসামি করা হয়নি, ধরা হয়নি। কেন ধরা হচ্ছে না?

বিএনপি অপরাধীদের বিরুদ্ধে বরাবরই কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা কখনোই বলিনি অমুককে ধরা যাবে না। বরং বারবার বলেছি—যে অন্যায় করবে, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। সে দলের হোক বা না হোক, বিএনপি কোনো অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় দেয় না। তিনি বলেন, “রিজভী আহমেদ পরিষ্কারভাবে বলেছেন, তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, বিএনপি তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে। তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চুপ কেন? তারা তো বিএনপি দ্বারা পরিচালিত নয়, সরকারই তো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করে। তাহলে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন?

লংমার্চে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা হলে বিএনপি হাত গুটিয়ে থাকবে না: রিজভী

বাংলাদেশে একটি অদৃশ্য চক্র অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, “কারা সুস্থ পরিবেশকে অস্থির করে তুলছে, সেটা আমরা জানি। প্রশাসনের ভেতরেও এখনো বিগত সরকারের দোসররা রয়ে গেছে। কেউ কেউ নতুন করে যুক্ত হচ্ছে কি না, তাও সতর্কতার সঙ্গে দেখতে হবে। জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “তিন মাস আগে আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে জুলাই সনদ দিয়েছি। এখন এর বাস্তবায়ন নির্ভর করছে সরকারের ওপর।”

তিনি আরও বলেন, “ইস্যুবিহীন বিষয়কে ইস্যু বানিয়ে কিছু মহল অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বিএনপি এসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন এবং জনস্বার্থে এসব মোকাবিলায় প্রস্তুত।”

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এতে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এবং ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল।

রংপুরের সমাপনী সমাবেশে জনতার মহাসমুদ্র: তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গণভোটের দাবিতে অনড় উত্তরবঙ্গ

সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
অনুষ্ঠানে জুলাই মাসে নিহত শহীদদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

দৈনিক আমাদের খবর একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ ও জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নির্ভুলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

×

নিউজ কার্ড প্রিভিউ (HTML Version)

News Image
১২ জুলাই ২০২৫
Trulli

অপরাধীদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তা সরকারের কাছেই প্রশ্ন: তারেক রহমান