আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় হওয়া সম্ভাব্য প্রার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয়সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে পুলিশ। উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কারা প্রার্থী হতে পারেন—তাদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি অন্তত ২১টি ক্যাটাগরিতে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) নির্দেশনায় থানা পুলিশ নিজ নিজ এলাকায় নির্ধারিত ছকে তথ্য সংগ্রহের এ কাজ পরিচালনা করছে। ছক অনুযায়ী প্রার্থীর নাম, ছবি, রাজনৈতিক পরিচয়, দলে কোনো পদ আছে কি না এবং থাকলে সেই পদের মেয়াদকাল,মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তার হার, প্রার্থীর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক এবং কোনো ফৌজদারি মামলা রয়েছে কি না—এসব তথ্য বিস্তারিতভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে।
মাঠ পর্যায় থেকে সংগৃহীত এসব তথ্য পরবর্তীতে পুলিশের ‘পলিটিক্যালি এক্সপোজড পার্সন’ (পিইপি) সফটওয়্যারে সংরক্ষণ করা হবে বলে জানা গেছে।
পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, যেকোনো বড় নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও আগাম নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতেই নিয়মমাফিক তথ্য সংগ্রহ ও ডাটাবেজ তৈরির এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে তথ্য সংগ্রহ করা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও তা যেন প্রার্থীর ওপর কোনো ধরনের রাজনৈতিক হয়রানি বা চাপ সৃষ্টির কারণ না হয়। নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে তথ্য সংগ্রহের এই প্রক্রিয়া পরিচালনা করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

















