ঢাকার আশুলিয়া কন্ডা মাঝিপাড়া এলাকায় সংখ্যালঘু এক পরিবারের বাড়িঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে একাধিক মামলার আসামি দেলোয়ার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে । ঘটনাটি ঘটেছে গত চার নভেম্বর আশুলিয়ার কন্ডা মাঝিপাড়া এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেলোয়ার নামে ও সাঙ্গপাঙ্গরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওই পরিবারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং পরিবারের সদস্যদের গলায় ছুরি ঠেকিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এতে ভুক্তভোগী পরিবার সহ আশেপাশের কয়েকটি পরিবারের লোকজন চরম আতংকে দিন পার করছেন।
ভুক্তভোগী পরিমল জানান আমি একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী আমি আমার বাড়ির পাশে দীর্ঘ বছর ধরে একটা মুদি দোকান চালিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবন যাপন করে আসছি। কিন্তু কয়েকদি পূর্বে সাবেক চেয়ারম্যান মৃত ফারুক সাহেবের ভাতিজা দেলোয়ার আমার দোকানে আসে দোকান বন্ধ থাকায় হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে এসময় পরিবারের লোকজন গালাগাল দিতে বাধা প্রদান করলে হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার দোকানে ও বাসা বাড়িতে ভাংচুর করেন।এমন করার কারন জানতে চাইলে দেলোয়ারকে তিন লাখ টাকা চাঁদা দিয়ে এখানে দোকান চালাতে হবে বলে জানায় তা না হলে এখানে ব্যবসা করতে দিবেনা বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়।
অন্য আরও একজন ভুক্তভোগী জানান ৫ অগাস্টের পর থেকে দেলোয়ার সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের উপর ব্যপক অত্যাচার চালিয়ে আসতেছে। সে নিজেকে জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দিয়ে এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন। দেলোয়ারের বিরুদ্ধে পূর্বে আরও একাধিক হত্যা ও ধর্ষণ মামলা রয়েছে। আমরা তার ভয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারি না। কিছু বললেই আমাদের উপর হামলা করে বসে। এবং কি কথায় আমাদের বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে হয়রানি মুলক মামলা দায়ের করে। গত কয়েক দিন পূর্বে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাদের নামেই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে আশুলিয়া থানায়।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত দেলোয়ারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তা সম্ভব হয়নি।











