শিক্ষক ও তিন কর্মচারিদের এমপিও ভূক্তকরণে চুক্তি ভিত্তিক ১৫ লাখ টাকার স্থলে ৮ লাখ টাকা নেয়ায়, চুক্তি অনুযায়ী টাকা কম হওয়ায় শিক্ষককে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
রোকসানা বেগম, উপ-পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রংপুর অঞ্চল রংপুর।
এ নেক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বেলা ২ টায় ভুক্তভোগী পরিবারের আয়োজনে উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের কাজাইকাটা গ্রামে তার নিজ বাড়িতে কর্মকর্তার অপকৌশলের বিরুদ্ধে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের পুলিশের হাতে আটক সাবেক সহকারী শিক্ষক মাইদুল ইসলাম এর স্ত্রী জাহারানা খাতুন।
তিনি বলেন, একজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারীর এমপিও ভুক্তকরণ করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়, রংপুর অঞ্চল বরাবর একাধিকবার আবেদন করা হয়। কোন কারন ছাড়াই শিক্ষক-কর্মচারীদের আবেদনকৃত ফাইল, চাপা দিয়ে রাখেন।
নিয়োগ যোগদানের পর থেকে বেতন ভাতা না পেয়ে শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন-যাপন করে আসছেন। নিরুপায় হয়ে আবারও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পেতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়, রংপুর অঞ্চল বরাবর আবেদন করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে রোকসানা বেগম, উপ- পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রংপুর অঞ্চল আমার স্বামীর হোয়াটসঅ্যাপস নাম্বারে
যোগাযোগ করে বলেন যে, নির্বাচিত সরকার আসলে আপনাদের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও হবে না। তাই দ্রুত কর্মকর্তার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে বললে আমার স্বামী মাইদুল ইসলাম
গত ৯ ফেব্রুয়ারী ২৬ তারিখে তার অফিসে দেখা করতে যায়।
আবেদনকৃত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও ভুক্তকরণ বাবদ একজন শিক্ষক ৬ লাখ টাকা ও তিনজন কর্মচারীর জন্য জনপ্রতি ৩ লাখ করে ৯ লাখ টাকা। মোট ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য রোকসানা
বেগম, উপ-পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রংপুর অঞ্চল তার অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন।
কর্মকর্তার চুক্তি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত বাবদ গরু বিক্রি, জমি বন্ধক ও এনজিও থেকে ঋণে ৮ লাখ টাকা নিয়ে উক্ত কর্মকর্তা রোকসানা বেগমের দপ্তরে যায়। পরে টাকার পরিমান কম থাকায় আমার
স্বামী সাবেক শিক্ষক মাইদুল ইসলাম খানের উপর উক্ত কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে তার অধীনস্থ কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান কম্পিউটার অফিস সহকারী ও ড্রাইভার শফিকুল ইসলাম শফিক দ্বারা ব্যাগ হতে
জোর পূর্বক টাকা বের করে এবং প্রশাসনের লোকজন এনে নাটকীয়তা ও অপকৌশল গ্রহন করে আমার স্বামীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। ন্যায় বিচার পেতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত
পুবর্ক প্রকৃত ঘটনা বের করার জন্য অনুরোধ করছি।
বিধিবাম সুত্রে জানা গেছে, রোকসানার স্বামী দালাল জাহিদুল ইসলাম সহকারী অধ্যাপক নিলফামারী সরকারি কলেজ, কম্পিউটার অফিস সহকারী ও ড্রাইভার শফিকুল ইসলাম শফিকসহ রোকসানার পক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নিকট এমপিও ভুক্ত করণসহ বিভিন্ন কাজের নাম করে ঘুষ নেয়ার, যোগাযোগ মাধ্যম বলে জানা গেছে। #













