সীমান্তবর্তী জনপদ রৌমারীতে মাদকের বিস্তার রোধে জোরদার হয়েছে পুলিশের তৎপরতা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ইমরান হোসেন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রৌমারী ফায়ার সার্ভিস পাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন রৌমারী থানার সাব-ইন্সপেক্টর (সেকেন্ড অফিসার) শফিকুল ইসলাম। তার সঙ্গে সাব-ইন্সপেক্টর আরমান ও এএসআই শাহানুর হোসেনসহ ছয় সদস্যের একটি চৌকস টিম অংশ নেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ইমরান হোসেন তার বসতঘর থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করে আসছিলেন। সম্প্রতি তার গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে পুলিশ নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় তার বাড়ি থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলী জানান, “ইমরান দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে পাঠানো হবে। ”মাদকবিরোধী অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’
উল্লেখ্য, সীমান্তবর্তী হওয়ায় রৌমারীকে পূর্বের এক সরকারি সমীক্ষায় মাদক পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ফলে এ অঞ্চলে মাদক বিস্তার রোধে প্রশাসনের কড়াকড়ি পদক্ষেপের দাবি দীর্ঘদিনের।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে সালাউদ্দিন সারাদেশে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। তার এ ঘোষণার পর দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন শুরু করেছে।
রৌমারী থানার পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, পুলিশের নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর অবস্থান বজায় থাকলে সীমান্তবর্তী এই জনপদে মাদক ব্যবসা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।











