কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের পশ্চিম ইছাখালী এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারীসহ একই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় পশ্চিম ইছাখালী এলাকার বাসিন্দা আবদুল্লাহ (৫৪) বাদী হয়ে ঈদগাঁও থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। তিনি মৃত হাজী আবদু ছালামের ছেলে।
এজাহারে একই এলাকার আবদুল কাদের প্রকাশ কালু (২৮), আবদ ছত্তর (২৭), আবদু করিম, আবদুর করিম ও তজুমুদ্দিন (৩০)সহ আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে বাদীর বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়। পূর্ব বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেন বাদী।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় বাদীর স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো দা দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। এতে তার হাতের তালু ও আঙুলে গুরুতর জখম এবং রক্তাক্ত কাটা সৃষ্টি হয়। এছাড়া লাঠিসোটা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
একই ঘটনায় বাদীর মেয়ে তোফা মনিকেও মারধর করা হয়। পরিবারের দাবি, তার মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করলে কপাল ফেটে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়। হামলায় বাদী আবদুল্লাহ নিজেও আহত হয়েছেন।
পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
বাদী আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা এখনো তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এজাহার পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
















