বিএনপি ছাড়া বর্তমানে একটাও রাজনৈতিক দল নাই,বাংলাদেশে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে সক্ষম। বিএনপি থেকে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী পাবনা- ৫ আসনের এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (২৩ শে জানুয়ারি শুক্রবার) সকালে স্কয়ার ফার্মার গণসংযোগে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এডভোকেট শিমুল বিশ্বাস বলেন,দেশ চালানোর মত যথেষ্ট সাংগঠনিক শক্তি ও স্ট্রাকচারড বাকীদের তুলনায় বিএনপির আছে। বিএনপি নির্বাচিত হওয়ার পরে প্রায় প্রত্যেকটা সেক্টরে ( শিক্ষা, চিকিৎসা,কৃষি, শিল্প-বানিজ্য ও কর্মসংস্থান..) কী কী করবে এমন পরিকল্পনা ইতিমধ্যে পেশ করেছে,ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, কৃষি কার্ড, কীভাবে কৃষকদের ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে এসে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা যায় এমন পরিকল্পনা পেশ করেছে।

অর্থনীতি, সমাজনীতি,পরিবেশনীতি সহ যথেষ্ট ভিশন দেখিয়েছে বাকীদের তুলনায়। আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে, কিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা হবে বিএনপি বলে যাচ্ছে । তারেক রহমানের ৫ই আগষ্টের পর প্রতিটি বক্তব্য দেখুন,অর্থনীতি নিয়ে উনার চিন্তা,কিভাবে বাংলাদেশ কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে।অপেক্ষাকৃত বেশী বাংলাদেশ পন্থী এবং অভ্যুত্থান পরবর্তী ম্যাচিউরিটি দেখিয়েছে সার্বিক বিবেচনায়। বিএনপিতে আছে অভিজ্ঞতা, বর্ষীয়ান নেতৃত্ব, জনপ্রিয়তা, লোকবল, সাংগঠনিক বিস্তার, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য, নামী দামী নেতা, নিবেদিত নেতা কর্মীসহ সব। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, মুসলিম সেন্টিমেন্ট, দিল্লী বিরোধী অবস্থান আর জিয়া পরিবারের ফেইম দিয়ে এই দলটা তৃণমূলে তাদের অসম্ভব জনপ্রিয়তা ধরে রাখবে।
সাধারণ মানুষ জিয়া পরিবারের উপর আস্থাশীল। এটাই পলিটিক্যাল দাবার চালে ইম্পরট্যান্ট। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল তিন চালিকাশক্তি তার হাত ধরে শুরু করছিলোন, পোশাক রপ্তানি , বিদেশে জনশক্তি প্রেরণ ,খাল খনল করে কৃষি বিপ্লব। এই তিনটি দিয়েই এখনো দেশের অর্থনীতি টিকে আছে। তারেক রহমানেও এই তিন খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা পেশ করেছে।
শিমুল বিশ্বাস আরো বলেন, অপরাধ দমন, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, জঙ্গি দমন এসব বিএনপির ইতিহাসে রয়েছে। দেখেন বিএনপির ২০০২ সালের আমলে অপারেশন ক্লিনহার্ট, র্যাব গঠন এইগুলো দিয়ে বিএনপিই নিজের গায়ে নিজেই আঘাত করেছে। এই কাজটা অন্য কোন দল কখনোই করতো না।
মেয়েদের গায়ে এসিড নিক্ষেপের আইন করে এসিড নিক্ষেপ অপরাধ জিরো তে নামিয়ে আনছিল। এখন আর এসিড নিক্ষেপ নাই।ক্ষমতায় গেলে সেসব একজিকিউটিভ পাওয়ার ব্যবহারের সুযোগ তো বটেই, এর বাইরেও স্টেপ নেয়ার স্কোপ বা ইতিহাস দুটোই বিএনপির আছে।।
তারেক রহমানক বিগত দিনে নিজের কথা-বার্তা,চিন্তাভাবনাতে যথেষ্ট ম্যাচিউরিটি দেখাইছে, একজন ভালো নেতা হওয়ার মতো কথা বলছেন, তাকে নিয়ে বিতর্ক কম হয়েছে । তিনি যদি ক্যারিশমাটিক নেতা হয়ে উঠতে পারেন এবং প্রেসিডেন্ট জিয়া/এরদোগান/মাহাথির মতো রুল প্লে করতে পারেন তাহলে দেশ ও জাতির কল্যাণই সাধিত হবে।











